1. admin@admin.com : admin :
  2. harundesk@gmail.com : unlimitednews24 : Md Jibon
  3. unlimitednews24@gmail.com : Md Jibon : Md Jibon
  4. mdnayeem7726@gmail.com : Md Nayeem : Md Nayeem
সাবের হোসেন চৌধুরী এবং একটি বৈপ্লবিক রাজনৈতিক পরিবর্তন
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:২৩ অপরাহ্ন

সাবের হোসেন চৌধুরী এবং একটি বৈপ্লবিক রাজনৈতিক পরিবর্তন

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১

স্বাধীনতা যুদ্ধ পরবর্তী এই এলাকায় পরীক্ষিত মুজিব আদর্শের পোড় খাওয়া নেতানেত্রীদের কোনো অভাব এই অঞ্চলে ছিলোনা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য হয়ে রাজনীতি করা ব্যক্তিত্বও ছিলো এই এলাকায়। তারপরও এই অঞ্চলে স্বাধীনতার পক্ষের নৌকা প্রতীকে কেহই জয়লাভ করছিলোনা। শ্রদ্ধেয় মোজাফফর হোসেন পল্টু সাহেব নামে একজন নৌকা প্রার্থী তো তিন বার পরাজয়ের হ্যাট্রিক করার কলঙ্ক রচনা করলেন। সর্বশেষ ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনেও যখন বিপুল ভোটে পরাজিত হলেন আমাদের আওয়ামী লীগের সন্মানিত প্রার্থী। একটু নড়েচড়ে বসলেন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশের প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় তিনি জরিপ চালালেন বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে আসন ভিত্তিক পরাজয়ের কারণ নির্ধারন করার চেষ্টা করলেন। আমাদের এলাকাও এর ব্যতিক্রম হলো না। বার বার পরাজয়ে এলাকার নেতাকর্মীদের মনোবল তীব্র ভাবে ভেঙ্গে পড়েছিল সেই সময়। বার বার পরাজয় দেখে এখান থেকেও যে জয়ী হওয়া যায় বা জয়ের ধারায় ঘুরে ফেরা যায় তা স্বপ্নেও সাধারণ নেতাকর্মীরা ভাবতে পারছিলোনা!!

এমনই এক চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিস্থিতি উন্নয়নের লক্ষ্যে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন, তিনি একজন সৎ, পরিচ্ছন্ন ও ক্রিড়া সংগঠককে আমাদের এই অঞ্চলে নৌকার দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন এবং তিনি বেছে নিলেন তাঁরই ভাইয়ের গড়া দেশের অন্যতম সেরা ক্রীড়া দল আবাহনী লিমিটেড-এর সেই সময়ের শীর্ষস্থানীয় সংগঠক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব saber hossain Chowdhury সাবের ভাইকে। নেত্রী যে দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছিলেন তা অতি অল্প সময়ের মধ্যেই সাধারণ মুজিব সৈনিকরা টের পেয়েছিলো।

সাবের ভাইয়ের মতো সৎ ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিকে ১৯৯৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে এই অঞ্চলে নৌকার দায়িত্ব প্রার্থী করার পর তিনটি পরিবর্তন হয়েছে ১। এখানকার বেশিরভাগ পুরানো আওয়ামী লীগারদের মধ্যে আত্নবিশ্বাস ফিরে এসেছিলো ২। তৎকালীন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নেতাকর্মীদেরকে অনুপ্রাণিত করেছিলো ৩। রাজনীতিতে যারা তখনো জড়িত ছিলোনা সেই সকল তরুণ/যুবকদের অনেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা যার প্রতি তাঁর আস্থা ব্যক্ত করেছিলেন সেই সাবের ভাইয়ের ব্যক্তিত্বের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে মুজিব আদর্শের রাজনীতিতে, স্বাধীনতার পক্ষের রাজনীতিতে এসেছিলেন। এর প্রতিফলন ঘটেছিলো ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। দীর্ঘদিন পর বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে এই অঞ্চলের সংসদীয় আসনটি উপহার দিয়েছিলেন সাবের হোসেন চৌধুরী। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলো, সাবের হোসেন চৌধুরীকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার উপমন্ত্রী করা হলো এবং সেইসাথে সাবের ভাইকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডেরও সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হলো। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সাবের ভাইয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অবকাঠামোগত ও স্তর ভিত্তিক উন্নয়ন থেকে শুরু করে পুরো ক্রিকেটের এক বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধিত হলো। সাবের ভাইয়ের সফল ক্রিকেট কূটনৈতিক পদক্ষেপে বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেট খেলার মর্যাদা পেয়েছিল এবং সেই সাথে পেয়েছিলো প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলক টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট খেলার সুযোগ।

২০০১ সালের বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে আসলো। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সাবের হোসেন চৌধুরীকে তাঁর রাজনৈতিক সচিব করলেন এবং দায়িত্ব দিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদকের, সাবের ভাইয়ের দায়িত্ব ছিলো ঢাকা বিভাগের। সাবের ভাই নেত্রীর দেওয়া দায়িত্ব গুলো অত্যন্ত সফলতার সাথে পালন করছিলেন, তখনই ২০০৪ সালে আমাদের নেত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে তৎকালীন স্বৈরাচারী রাজাকার-বিএনপি সরকারের মদদে সংগঠিত করা হলো ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, অর্ধশত আওয়ামী নেতাকর্মীর মৃত্যু হলো, নেত্রী শেখ হাসিনা সহ আহত হয়েছিলেন হাজার হাজার নেতাকর্মী। সেই সময়ে দেশের গনমাধ্যমের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মাধ্যমে সাবের হোসেন চৌধুরীর অত্যন্ত জোরালো, সফল ও সরব উপস্থিতি সকলেরই নজর কেরেছিলো, সাবের ভাই অত্যন্ত সফলতার সহিত সেই বিভৎস ঘটনা ও এর ধারাবাহিকতা সাধারণ জনগণের পাশাপাশি সমগ্র বিশ্বে তা পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

স্বৈরাচারী রাজাকার-বিএনপি সরকারের অন্যায় অত্যাচার যখন তীব্র আকার ধারণ করেছিলো তখনই আগমন ঘটেছিলো বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ওয়ান-ইলেভেন সরকারের, সেই সরকার অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করেছিলো তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে। সেই সময়ে এই অন্যায় কাজের বিরোধিতা করে আন্তর্জাতিকভাবে জনমত তৈরিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন সাবের হোসেন চৌধুরী, তৎকালীন বাংলাদেশের বৃটিশ রাষ্ট্রদূত আনোয়ার চৌধুরীর পরবর্তীতে একটি লেখায় তা তিনি উল্লেখ করেছিলেন। ধন্যবাদ দিতেই হবে আনোয়ার চৌধুরীকে প্রকৃত সত্য বলার জন্য। অথচ এই ওয়ান ইলেভেনকে পুঁজি করে অসত্য বানোয়াট অপপ্রচারের মাধ্যমে ষড়যন্ত্র করে ২০০৮ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবের ভাইয়ের মনোনয়ন রোধ করতে চেয়েছিলো একটি স্বাথা’ন্বেষী গোষ্ঠী। কিন্তু শত চক্রান্তের পরও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আস্থা শেষ পর্যন্ত ছিলো সাবের হোসেন চৌধুরীর প্রতিই। এই আস্থার প্রতিদান সাবের হোসেন চৌধুরী দিয়েছিলেন আবারো এই অঞ্চলে নৌকার ঝান্ডা উড়িয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় উপহার দিয়ে।
২০০৮ এর পর ২০১৩ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছিলেন সাবের হোসেন চৌধুরী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসে। কিন্তু সেই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিলো স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিরা, তারা চেয়েছিলো আওয়ামী লীগকে আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে করে ক্ষমতা থেকে হটানো, এরফলে তারা রাজাকারদের বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে পারবে এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের হত্যাকারীদের বিচারের রায় কার্যকর করা বন্ধ করতে সক্ষম হবে। এখানেও সাবের হোসেন চৌধুরী একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় সারাবিশ্বের পার্লামেন্টারিয়ানদের নিয়ে যে আন্তর্জাতিক সংগঠন “ইন্টার পার্লামেন্টারী ইউনিয়ন (IPU)”-এর সভাপতি নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদকে সারাবিশ্বে সুপরিচিত ও গ্রহনযোগ্য করে তুলেন। ক্ষমতাধর রাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ার মাননীয় স্পীকারকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে সাবের ভাই IPU-এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। সাবের ভাই এখনো IPU- অনারারি চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন।

এরপর আসলো ২০১৮ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ২০০৮ থেকে ২০১৮ এই দীর্ঘ ১০ বছর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায়। দলের ক্ষমতা ও দলীয় পদকে পুঁজি করে কিছু পুরানো নামধারী তৃণমূল নেতানেত্রী সকল প্রকার অপকর্ম করে নিজেরা হৃষ্টপুষ্ট হয়ে নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে এবং নিজেদের দল ভারী করার লক্ষ্যে পুরানো ও ত্যাগীদের অবজ্ঞা করে হাইব্রিড অনুপ্রবেশকারী নব্য আওয়ামী লীগারদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে নিজেদেরকে অনেক বড়ো কিছু ভাবা শুরু করেছিলেন। সাবের হোসেন চৌধুরীর আশির্বাদ নিয়ে নেতৃত্ব পেয়েছেন এমন অনেকেই নিজেদেরকে সংসদ সদস্য হিসেবে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন বলে কথিত রয়েছে। বারবার পরাজিত হওয়া একজন আওয়ামী লীগ নেতাকে সামনে নিয়ে এসে আবারো শুরু হয়েছিলো সাবের ভাইকে নিয়ে নোংরা ষড়যন্ত্র এবং এই ষড়যন্ত্রের উৎসাহদাতা যারা ছিলো বলে অভিযোগ রয়েছে তাদের অনেকেই সাবের হোসেন চৌধুরীর বদান্যতায় শূন্য থেকে বর্তমান অবস্থানে আছেন বলে কথিত রয়েছে। যাহোক সকল প্রকার নোংরামি ও ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারো আমাদের এলাকায় তাঁর নৌকার মাঝি করলেন সাবের হোসেন চৌধুরীকে। সাবের ভাই আবারো ঢাকা-৯ মাননীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাবের ভাইকে বন-পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করলেন যাহা সাবের ভাই অত্যান্ত সফলতার সহিত দায়িত্ব পালন করছেন। সাবের ভাই উনার ব্যক্তিত্ব, সততা ও পরিচ্ছন্ন ইমেজ দিয়ে, এলাকায় উনার উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে দলমত নির্বিশেষে এলাকার সকল শ্রেণী পেশার মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন এবং সকলের মনে স্থায়ী আসন গড়তে সক্ষম হয়েছেন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দীর্ঘ ১২ বছর ধরে ক্ষমতায়, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহ আরো নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশে বৈপ্লবিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। কিন্তু কিছু পুরানো নেতানেত্রী নামধারী শয়তানের কারনে, তাদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে আশ্রিত হাইব্রিড, অনুপ্রবেশকারী, নব্য আওয়ামী লীগারদের অপকর্মের কারণে অনেক সময় দল হিসেবে আওয়ামী লীগ প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে যাচ্ছে, আরেকটি ১৫ আগস্টের পটভূমি রচিত করার পরিবেশ সৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে, যাহা কোনোভাবেই হতে দেওয়া উচিত হবে না। এমনি এক পরিস্থিতিতে যখন বাংলাদেশের আকাশে বাতাসে শুধুমাত্র পুরানো ও ত্যাগী মুজিব আদর্শের সৈনিকদের বিভিন্ন কমিটিতে মূল্যায়ন করার জোর দাবী চলছে তখন সাধারণ নেতাকর্মীদের একমাত্র আস্থার প্রতিক হয়ে রয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবের হোসেন চৌধুরীর মত সৎ ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। ঢাকা-৯ সংসদীয় এলাকায়ও একমাত্র ভরসার প্রতীক হিসেবে আছেন মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী। সাধারণ নেতাকর্মীরা অনেক আশায় বুক বেঁধে রয়েছে যে এবার অন্তত তারা মূল্যায়িত হবেন এবং এর পাশাপাশি কোনো এলাকায় হেলেনা জাহাঙ্গীর, পাপিয়া, শাহেদ, এনু-রূপন রূপি হাইব্রিড অনুপ্রবেশকারী নব্য আওয়ামী লীগাররা কোথাও জায়গা পাবে না।

অতীতের রেকর্ড পরাজয়ের কঠিন বৃত্ত থেকে বেরিয়ে ব্যক্তিগত কারিশমা ও মুজিব আদর্শের মাধ্যমে একটি বৈপ্লবিক রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটিয়ে পরপর তিন বার হ্যাট্রিক জয়ের মধ্য দিয়ে সৎ ও পরিচ্ছন্ন ইমেজ নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম ফ্লাই ওভার খিলগাঁও ফ্লাই ওভার, মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, মেট্রো রেলের স্টেশন, বাংলাদেশের একমাত্র গ্র্যাজুয়েট নার্সিং ইনস্টিটিউট সহ শিক্ষা ও অবকাঠামোগত ব্যপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কিভাবে সাধারণ মানুষের মন জয় করা যায়, সাবের হোসেন চৌধুরী এর এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মহান আল্লাহ পাক সাবের ভাই সহ আমাদের সকলের মঙ্গল করুন।

লেখকঃ-
খাইরুল বাহার তুমুল
MBA, University of Wales UK,
সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক,
৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ(২০০৩-২০১৩), ঢাঃদঃ।
অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সহ-সভাপতি, কদমতলা স্কুল এন্ড কলেজ প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রী পরিষদ(কাপসা), Ex general secretary, Rotary club London(Newham)1130 এবং পৃষ্ঠপোষক, সবুজমুখি লেডিস ক্লাব।

Sharing is caring!

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Error Problem Solved and footer edited { Trust Soft BD }
এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

© All rights reserved © 2017-2021 www.unlimitednews24.com
Web Design By Best Web BD