1. admin@admin.com : admin :
  2. harundesk@gmail.com : unlimitednews24 : Md Jibon
  3. unlimitednews24@gmail.com : Md Jibon : Md Jibon
  4. mdnayeem7726@gmail.com : Md Nayeem : Md Nayeem
হেফাজতের আন্দোলনে শিশুদের ব্যবহার, সাধারণ মানুষের কয়েকটি প্রশ্ন
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৪২ অপরাহ্ন

হেফাজতের আন্দোলনে শিশুদের ব্যবহার, সাধারণ মানুষের কয়েকটি প্রশ্ন

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১

বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় সম্মান ও গৌরবের সোনালী অধ্যায় পালিত হচ্ছে। দেশের উন্নয়ন করোনা সংক্রমণের মধ্যেও অব্যাহত রয়েছে। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তি প্রতিটি বাঙালীর কাছে আনন্দের, গৌরবের। মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর প্রাপ্তি পালন বাঙালীকে গৌরবদীপ্ত করে, আনন্দিত করে। বর্তমানে দেশটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বগুণে দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলছে। বর্তমানে উন্নয়নের মূল ভিত্তিভূমি রচনা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালীর আদর্শ এবং উন্নয়নের দিশারী ও বাঙালী জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ মহামানব, ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধাচরণকারী নেতা। তাঁর আদর্শ ও অবিচল নেতৃত্বে এদেশের মানুষের জন্য ব্রিটিশ-পাকিস্তান উভয় সময়কালে দাঁড়িয়ে সকল ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে বাঙালী সত্তার বিজয় ও স্বাধিকার অর্জন সম্ভব হয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশ পেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। সে দেশকে সাড়ে তিন বছর শাসনামলে নানা ফ্রন্টে তিনি উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা দিয়ে সুন্দর ও কৌশলগত বির্নিমাণে প্রয়াসী ছিলেন। স্বাধীনতা অর্জন ও ১ কোটি বাঙালির দায়িত্ব নিয়ে বিশ্বর বুকে বাংলাদেশের মানচিত্র অঙ্কনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন বর্তমান বিশ্বে অন্যতম ক্ষমতাবান রাষ্ট্র ভারত। ভারত বরাবরই বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র। দুই দেশের বন্ধুত্ব আরো নিবির ও বিশ্বাসযোগ্য এবং দায়বদ্ধতা থেকে বাংলাদেশের আনন্দে বিশ্ব নেতাদের পাশাপাশি সম্মানের সাথে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও আমন্ত্রণ জানায় বাংলাদেশ সরকার। তবে দুঃখের বিষয় মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর উৎযাপনে অংশ গ্রহণে বিশ্বের অনেক নেতার সাথে গত ২৬ মার্চ বাংলাদেশে আসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার এই সফরকে কেন্দ্র করে মৌলবাদীদের নীলনকশার সূচনা হয়। মোদি বিরোধী অন্তরালে বঙ্গবন্ধুকে অপমান ও সরকার পতনের ষড়যন্ত্রের দৃশ্যমান তৎপরতা ছিলো ব্যাপক।


“হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ” ২৬শে মার্চ শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর দেশে এক ভীতিকর পরিস্থিতির সূচনা করেন। সাধারণ মুসল্লীসহ আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মীকে আহত করেন। বি-বাড়ীয়াতে ভয়ংকর তান্ডব চালায় হেফাজতে ইসলাম। তাদের তান্ডব এতোটাই ধ্বংসাত্মক ছিলো যে আগুন আর আগুন। পুলিশকে অনেকটা নিরুপায় হয়েই জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তাদের দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে।


রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পবিত্র জুম্মার নামাজ পড়তে আসা মুসল্লীদের উপর ব্যাপক তান্ডব চালায় হেফাজতে ইসলামের! ধর্মের নামে মানুষকে জিম্মি করে জান-মালের ক্ষতি সাধন, অন্যের ক্ষতি করা, মানুষকে আঘত করা কোনো মুসলমানের দায়িত্ব কি না?
ধর্মের নামে ইসলামের অপব্যাখা দেয়ার কারণ কি?
রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি নষ্ট বা ক্ষতি সাধন ইসলাম ধর্মের সম্মান বৃদ্ধি করে কি না?
হেফাজত ইসলামের আন্দোলনে কেনো শিশুদের ব্যবহার করা হচ্ছে? এতিমদের প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের মুসলমানদের একটি মানবিকতা কাজ করে। এই শিশুদের ব্যবহার করে, তাদের আন্দোলনে নামতে বাধ্য করা কোনো সঠিক কাজ কি? যে শিশুটি আন্দোলনে নামছে অনেকের পিতামাতা জানেই না। আবার কোনো পিতামাতার নিশেধ থাকা সর্তেও শিশুদের আন্দোলনে নামতে বাধ্য করা হচ্ছে কেন?
আর এতিমদের কথা তো অনেক দিকে ইঙ্গিত করে…
সমাজের একটি ব্যধি হুজুরের কাছে ছাত্র বলাৎকার! আমরা মুসলমান হিসেবে দাবি করি, ইসলামের শাষণ চাই কিন্তু এ ধরনের অপরাধীদের বিচার চাই না কেন? কেন শিশুটির পক্ষে ধর্মের ব্যবসার নামে দোকান খুলে বসা হেফাজত ইসলাম কোনো আন্দোলনে নামে না।
ইসলাম শান্তির ধর্ম হলে আপনারা কেন একজন মানুষের ঋণের টাকায় নামানো গাড়িটি রাস্তায় জ্বালিয়ে দিচ্ছেন?
যে পরিবহনটির সাথে জড়িয়ে আছে কয়েকটি পরিবারের বেঁচে থাকার বাস্তবতা।
শান্তির পতাকা রেখে কেন হেলমেট পড়ে আপনারা তরোয়াল হাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে?
কোনো রাজনৈতিক দল না হলেও কেন সরকার পতনের ডাক আপনাদের?
নবী করিম (সাঃ) ইসলাম প্রতিষ্ঠায় শান্তির বার্তা দিয়ে গেলেও আপনারা কেন মৃত মুসলমানের জানাযায় অংশ নিবেন না বলে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিলেন? সমাজে অশান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিলেন?
হুজুর, মৌলবি-দের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের একটি সম্মান ও আবেক নিবিড় ভাবে কাজ করে। আপনাদের দিকে শিক্ষার দৃষ্টিতে থাকে বহু মানুষ। তাদের সহজ সরলতা নিয়ে খেলবেন না। ঈমানের দাওয়াত ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ববোধ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান ছড়িয়ে মুসলমানদের হৃদয়ের স্পন্দন হয়ে থাকবেন এমনটাই প্রত্যাশা। তবে কোনো দল বা কারো স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করবেন, অপরাজনীতি শিকার হবেন না.. সাবধান।

Sharing is caring!

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Error Problem Solved and footer edited { Trust Soft BD }
এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

© All rights reserved © 2017-2021 www.unlimitednews24.com
Web Design By Best Web BD