এইচ.এম.আবেদুজ্জামান জিহাদঃ পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার আওতাধীন ৯ নং নাজিরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফারুককে কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। গত ২১শে ফেব্রুয়ারী আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ঃ৩০ এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। নেতাকর্মীদের নিয়ে তার অস্থায়ী কার্যালয়ে বসে দলীয় আলাপচারিতার সময় অতর্কিত এ হামলা হয় বলে জানা যায়। এ হামলায় নাজিরপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতিও গুরুতর আহত হয়েছেন। ফারুক চেয়ারম্যান বর্তমানে ঢাকায় জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনষ্টিটিউট এ ভর্তি আছেন।
চেয়ারম্যান ফারুক ১৯৮৪ সালের স্বৈরশাসন আন্দোলনের সময় পুলিশের ট্রাক চাপায় শহীদ ইব্রাহিম সেলিম এর আপন ভাই। তিনি বাউফল উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাউফল উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাউফল পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও দীর্ঘ ২২ বছর ধরে নাজিরপুর ইউনিয়নবাসী তাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করে আসছে। ২২ বছর ধরে তিনি এ ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সততা এবং নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছেন।
হামলার পিছনে কারা রয়েছেন এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বাউফল পৌর মেয়র জুয়েল এর নাম বলেন। তিনি বলেন, “জুয়েল একজন খুনি। একটি খুনের মামলার প্রধান আসামী। তার সহযোগীরা সকলেই খুন,মাদক, চাদাবাজি এর সাথে জড়িত। সবসময় আমি তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তুলি। তাদের সকল অপকর্মের বাধাদানকারী আমি। তাই তাদের পথের বাধাদানকারীকে সরাতে আমার উপরে এ হামলা করা হয়।আমি এবং আমার কর্মীদেরকে প্রানে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যেই এ হামলা করা হয়েছে। ” এ হামলাতে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত রয়েছে এমন কয়েকজন এর নাম তিনি বলেন। এর মধ্যে হাসান,জামশেদ,ইউসুফ, ইব্রাহিম, আরিফ,সিদ্দিকুল্লাহ এরা অন্যতম। এরা সকলেই হত্যা মামলার আসামী বলে জানা যায়। যুবলীগ নেতা তাপস হত্যার মূল হোতা মেয়র জুয়েল এবং তার সহযোগীরা বলে তিনি জানান। উন্নয়নের নামে শত কোটি টাকা লুটপাট করছেন মেয়র জুয়েল। এসবের প্রতিবাদ তিনি বরাবরই করে আসছেন বলে তার উপর এ হামলা করা হয়।
ফারুক এবং তার স্ত্রী প্রধানমন্ত্রী,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং দলীয় সাধারণ সম্পাদকের কাছে এ হামলার সুষ্ঠু বিচার দাবী করেছেন এবং মেয়র জুয়েলের সকল অপকর্মের তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় এনে তার শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Sharing is caring!