প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, মে মাসের মাঝামাঝি সারাদেশে বড় পরিসরে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভোট শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন ‘রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি)’ নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ, বিদায়ী কমিটির সংবর্ধনা ও নতুন সদস্যদের বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

সিইসি বলেন, ‘এপ্রিলের ৭ তারিখে আরেক দফা পৌরসভা নির্বাচন হবে। একইসঙ্গে কিছু ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে। কয়টি পৌরসভা ও ইউপিতে ভোট করা যায় তা পর্যালোচনা করে ১৭ ফেব্রুয়ারি কমিশন সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। তবে রমজানে নির্বাচন হবে না। মার্চ মাসেও কোন নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। কারণ আমাদের ভোটার তালিকা তৈরি করা, সেটা চূড়ান্ত করা, তালিকার সিডি করে প্রার্থীদের দিতে হবে; এ সকল কাজে এক মাস সময় চলে যাবে।’

সামনের নির্বাচনগুলো সুষ্ঠু ও সংঘাতমুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন কেএম নূরুল হুদা বলেন, ‘কোথাও কোথাও ভোটে সংঘাত হয়। এগুলো চলে গেলে খুশি হবো, কিন্তু যাচ্ছে না। আজকেও আমরা চট্টগ্রাম, যশোরে কথা বলেছি। ১৪ তারিখ নির্বাচনকে ঘিরে আমাদের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনার দিক দিয়ে যা যা দরকার আমরা সব ঠিকভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।’

দেশে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। ৫ বছর আগে ২০১৬ সালে ২২ মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ৬ ধাপে ৪ হাজারেরও বেশি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হয় দলীয় প্রতীকে। এবারও দলীয় প্রতীকে ভোট হবে বলে সিইসি জানিয়েছেন।

এ সময় নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসি সচিবালয়ের সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকারসহ ইসি সচিবালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Sharing is caring!