বিসিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে, ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টে খেলতে পারবেন না সাকিব। বাঁ পায়ের ঊরুর চোট নিয়ে স্বাভাবিক হাঁটা-চলা করলেও অলরাউন্ডারকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চায় না তারা। এজন্য তাকে ছাড়া পরিকল্পনা সাজাচ্ছে বাংলাদেশ দল। এদিকে ক্যারিবীয় কোচ বলেছেন, তার অনুপস্থিতির কথা ভেবে সবকিছু সহজভাবে নিতে পারি না। আমাদের জন্য কাজটা মোটেও সহজ হবে না।

দলের সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ফিরে হোটেলে ওঠেননি সাকিব আল হাসান। তখন থেকেই আলোচনার শুরু, বাঁহাতি অলরাউন্ডারকে কি তাহলে ঢাকা টেস্টে পাওয়া যাবে না? যদি দলের পরিকল্পনায় থাকতেন তাহলে জৈব সুরক্ষা বলয় ভেঙে বাসায় যেতে পারতেন না। এরপর বিকেলে বিসিবি থেকে আসলো দুঃসংবাদ।

চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে সাকিবের বাঁ পায়ের ঊরুতে টান পড়ে। নিজের বোলিংয়ে ফিল্ডিং করতে গিয়ে চোট পান বাঁহাতি স্পিনার। এরপর বোলিং চালিয়ে গেলেও মোটেও ফিট ছিলেন না। তার আগে দারুণ ব্যাটিংয়ে ৬৮ রান করেছিলেন তিনি। উইন্ডিজের ইনিংসের বিপক্ষে ষষ্ঠ ওভার শেষ করে মাঠ থেকে উঠে যান সাকিব। এর আগে ৬ ওভারে দেন ১৬ রান।

বিসিবি বলেছে, ‘চট্টগ্রামে ম্যাচের দ্বিতীয় দিন বাঁ উরুতে চোটে পড়ার পর থেকে সাকিবকে ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করে তাকে দ্বিতীয় টেস্টে রাখা হচ্ছে না।’

এদিকে সোমবার রাতে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে ক্যারিবীয় কোচ ফিল সিমন্স বলেছেন, ‘তার (সাকিব) না থাকা আমাদের সুবিধা দেবে না। হ্যাঁ! তাদের অনেকজন স্পিনার আছে যারা এখানে স্পিন করতে পারে। তারা নিশ্চিতভাবেই কাউকে খুঁজে নেবে, যে সাকিবের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করতে পারবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা হয়তো সাকিবের মতো ভালো হবে না। তবে একটা টেস্টের জন্য যথেষ্ঠ ভালোই হবে। আমরা তার অনুপস্থিতির কথা ভেবে সবকিছু সহজভাবে নিতে পারি না। আমাদের জন্য কাজটা মোটেও সহজ হবে না।’

Sharing is caring!