ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, শুধু টিকাদানের মাধ্যমেই আমরা করোনাকে জয় করতে পারি। তিনি সকলকে নির্ভয়ে টিকা নেয়ার আহ্বান জানান।

রোববার ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতালে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রথম দিনে এই হাসপাতালে টিকা গ্রহণের জন্য ৫৬ জন ব্যক্তি নিবন্ধন করেছেন।

ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, ‘আমি সবাইকে অনুরোধ করব, যত শিগগিরই সম্ভব, সবাই নির্ভয়ে অগ্রাধিকারভিত্তিতে নিবন্ধিত হবেন এবং এই টিকা গ্রহণ করবেন। এর মাধ্যমেই করোনা থেকে আমরা মুক্তি অর্জন করব এবং এ করোনাকে আমরা জয় করবো।’

ব্যারিস্টার শেখ তাপস করোনার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী লকডাউনের কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতা, তাঁর সুদুরপ্রসারী চিন্তা-চেতনার মাধ্যমে আমরা এই মহামারীকে অতিক্রম করতে যাচ্ছি।

সারা বিশ্বে যখন টিকা নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা-হতাশা, তখন প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই আমরা টিকা পেয়েছি উল্লেখ করে মেয়র বলেন, আজ থেকে সারাদেশে টিকা প্রদান কার্যক্রম আরম্ভ হয়েছে এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ১৯টি হাসপাতাল ও চিকিৎসালয়ে কোভিড-১৯র টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে টিকা প্রদান কার্যক্রম ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গত ২৭ জানুয়ারি টিকা প্রদানের পর থেকে এ কয়দিন সেটা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হয় কিনা দেখার জন্য। সকল কিছু নির্ণয় করে বৈজ্ঞানিক মতামতের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। সুষ্ঠুভাবে এই টিকাদান কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের সকলকে করোনা মুক্ত রাখা যাবে, ইনশাআল্লাহ।’

ছোটবেলায় আমরা সবাই হাম-চিকেন পক্সের টিকা নিয়েছি, তাই টিকা নিয়ে অহেতুক ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই উল্লেখ করে ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, আমরা ইনশাল্লাহ সকলেই এই টিকা নিয়ে করোনাকে জয় করব।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (ডা.) শরীফ আহমেদ, সচিব আকরামুজ্জামান, ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

Sharing is caring!