নিরাপত্তা ও উন্নয়নের নামে বিমান যাত্রীদের কাছ থেকে নতুন ফি আরোপ করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। সংস্থাটির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, যাত্রীদের অসন্তোষ থাকলেও সেবার মান বাড়লে তারা খুশিই হবেন। তবে করোনার এই সময়ে নতুন এই ফি নির্ধারণ না করলেই ভালো হতো বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পহেলা আগস্ট থেকে যাত্রীদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে বিমানবন্দর উন্নয়ন ও নিরাপত্তা ফি। প্রতিবার ভ্রমণের জন্য উন্নয়ন ফি ১০০ টাকা এবং নিরাপত্তা ফি ৭০ টাকা নেয়া হচ্ছে। বাড়তি ফি আরোপে আছে অসন্তোষ।

বেসমারিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলছে, সেবার মান বাড়াতেই এই ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, এগুলো সবই করা হচ্ছে যাত্রীরা যাতে চলাফেরা নির্বিঘ্নে করতে পারেন, নিরাপদভাবে করতে পারেন, স্বাচ্ছন্দে করতে পারেন এগুলোর জন্য। সেক্ষেত্রে যে সামান্য চার্জটা এটা কিন্তু অন্য দেশে আছে। হয়তো এটা নিয়ে এদেশের লোক ভাববে। কিন্তু যে যাত্রী ১ লাখ টাকা দিয়ে টিকেট কাটতে পারেন তারপক্ষে ১৫শ’ থেকে ১৮শ’ টাকা দেওয়াটা আমার মনে হয় না কঠিন হবে। তার এই কন্ট্রিবিউশনটা আমাদের দেশের জন্য বিশাল।

যাত্রীদের কাছ থেকে নিরাপত্তা ও উন্নয়ন ফি নেয়া হলে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, তারা ধারণ করছেন এবছর সাড়ে তিনশ’ থেকে ৪শ’ কোটি টাকা আয় আসবে। এটাকে তারা কাভার করার জন্যই এই ফিগুলো আরোপ করেছে। কিন্তু ফি আরোপ করার এটা সঠিক সময় ছিল না। এখন কিন্তু মানুষ বিভিন্ন পর্যায়ে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সবকিছুর পরও সবার চাওয়া নিশ্চিত করা হোক বিমানবন্দরের উন্নয়ন এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা। সূত্র, ইটিভি

Sharing is caring!