ডেস্ক নিউজঃ যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটের গণনায় দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে দূরত্ব যখন কমছে, তখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভোট গণনা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে টুইট বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘গণনা বন্ধ করুন’।

এর আগে গতকাল বুধবার তার ভাষণে ট্রাম্প এই নির্বাচনকে “মার্কিন জনগণের ওপর এক জালিয়াতি” বলে বর্ণনা করেন। এবং “সব ভোট বন্ধ” করার ডাক দেন, যদিও পরিকল্পিত জালিয়াতির কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ভোট গণনা বন্ধ করার আশায় ট্রাম্প প্রচারণা দল বেশ কয়েকটি রাজ্যে মামলা দায়ের করেছে। তবে জালিয়াতি বা কারচুপির ওপর কোন প্রমাণ তারা দাখিল করেনি। তারা উইসকনসিনেও পুন:গণনার দাবি করছে। নেভাডার রিপাবলিকান পার্টিও বলছে যে ভোট জালিয়াতির অভিযোগে তারা মামলা করতে যাচ্ছে।

তাদের দাবি, প্রায় ১০,০০০ লোকের ভোট পড়েছে যারা ঐ অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দাই না।

রিপাবলিকান পার্টির কৌশল প্রণয়নকারীদের একজন সেথ ওয়েদার্স বিবিসিকে বলেছেন, ট্রাম্প চাইছেন গণনা প্রক্রিয়ায় রিপাবলিকানদের অধিকতর পর্যালোচনার সুযোগ দেয়ার আগে সব গণনা বন্ধ রাখা হোক।

ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন আহ্বান জানিয়েছেন সবগুলো ভোট গণনার জন্য।

অবশ্য ট্রাম্পের এই টুইটের কয়েক মিনিটের মধ্যেই তার এক সাবেক শীর্ষ উপদেষ্টা কেলিয়ানি কনওয়ে সবাইকে ধৈর্য্যধারণ ও সবভোট গণনার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। এর আগে ভোটের রাতে নিজেকে জয়ী বলে দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করে আসছেন, ভোটের রাতের ফল ঘোষণা করতে হবে।

অন্যদিকে জাতীয় টেলিভিশনে দেওয়া সংক্ষিপ্ত ভাষণে জো বাইডেন বলেছেন, ‘তিনি এখনো বিজয় ঘোষণা করেননি। তবে যখন ভোট গণণা শেষ হবে তখন তার বিশ্বাস যে তারা বিজয়ী হবেন।’

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে উত্তরাঞ্চলের ব্যাটল গ্রাউন্ড হিসেবে পরিচিত মিশিগান ও উইসকনসিনে জেতার পর বাইডেনের ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট ২৬৪–তে পৌঁছেছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা ২১৪। মোট ৫৩৮টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোটের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে প্রয়োজন ২৭০টি।

Sharing is caring!