তুরস্কের পতাকাবাহী তেল-গ্যাস অনুসন্ধানী জাহাজকে নিরাপত্তা দিচ্ছে দেশটির নৌবাহিনী- মিডেল ইস্ট মনিটর
তুরস্কের পতাকাবাহী তেল-গ্যাস অনুসন্ধানী জাহাজকে নিরাপত্তা দিচ্ছে দেশটির নৌবাহিনী- মিডেল ইস্ট মনিটর

ভূমধ্যসাগরে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘাত এড়াতে ন্যাটোর প্রস্তাবে রাজি হয়েছে গ্রিস ও তুরস্ক। গত বুধবার দেশ দুইটি ন্যাটোর এ প্রস্তাবে রাজি হয়েছে বলে জানা যায়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এটা প্রথম ধাপ মাত্র। দুই দেশের মধ্যে বিরোধ মেটাতে আরও পদক্ষেপ নেয়া দরকার। খবর ডয়চে ভেলে, রয়টার্স ও মার্টিনসভিল বুলেটিন’র।

সম্প্রতি পূর্ব ভূমধ্যসাগরে অপরিশোধিত তেল উত্তোলন নিয়ে ন্যাটোর সদস্য দুই রাষ্ট্রের মধ্যে বিরোধ অনেক দূর গড়িয়েছে। গ্রিসের তেল ও গ্যাস উত্তোলন বন্ধ করতে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও তেল অনুসন্ধানকারী জাহাজ পাঠিয়েছিল তুরস্ক। প্রস্তুত রেখেছিল বিমানবাহিনীকেও। গ্রিসও সমরসম্ভার সাজাচ্ছিল। চিন্তা বাড়ছিল গোটা বিশ্বের। এই অবস্থায় ন্যাটোর মহাসচিব স্টল্টেনব্যার্গ জানিয়েছেন, গ্রিস ও তুরস্ক বিরোধ মেটাতে একটি ‘মেকানিজম’ তৈরিতে রাজি হয়েছে। এর ফলে সামরিক সংঘাত এড়ানো যাবে।

ন্যাটো জানিয়েছে, কোন বিরোধ দেখা দিলে দুই দেশের প্রতিনিধি সঙ্গে সঙ্গে হটলাইনে কথা বলবেন এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর ফলে বিরোধ আর সামরিক সংঘাতের দিকে এগোবে না। স্টল্টেনব্যার্গ বিবৃতি দিয়ে জানিয়োছেন, এই সেফটি মেকানিজম কূটনৈতিক স্তরে বিরোধ মেটানোর জায়গা তৈরি করবে। পরে এই মেকানিজমকে আরও উন্নত করা হবে।’

দুই দেশের মধ্যে এই মেকানিজম তৈরির কাজ সহজ ছিল না। কারণ গ্রিস দীর্ঘদিন ধরে তুরস্কের সঙ্গে কথা বলতেই রাজি ছিল না। তুরস্ক অবশ্য বারবার আলোচনায় বসার কথা বলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দুই দেশই রাজি হয়েছে।

Sharing is caring!