বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে আওয়ামী লীগের পতাকা তলে
শেখ হাসিনার কর্মী হয়ে, আন্দোলন-সংগ্রামের নিবেদিতপ্রাণ রেজাউল করিম রেজা।
ছাত্র রাজনীতি দিয়ে স্বৈরশাসক এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে রাজপথ করেছিল কম্পিত
২০০১ পরবর্তী বিরোধী দলের রাজনীতির মাঠে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই মানুষটি। যখন আজকের প্রধানমন্ত্রী তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে রাতের অন্ধকারে আটক করা হয়, মুহূর্তেই সংবাদটি পৌঁছে যায় যুব নেতা রেজাউল করিমের কানে, তখনই দ্রুত রাইসা বাজার মোড়ে যুবলীগের নিবেদিত কিছু পাগল কর্মীকে নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়েন। নেত্রীর মুক্তির স্লোগানে মুখরিত হয় কোর্ট প্রাঙ্গণ।
রেজার প্রতিরোধেই তৎক্ষণাৎ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা চোখে পড়ে। কে বা কারা হুকুম দিলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লাঠিচার্জ করার, সেই হুকুম পাওয়ার সাথে সাথেই যুবলীগের প্রতিবাদ মিছিলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ,পুলিশের নির্মম নির্যাতনের শিকার হন রেজাউল করিম রেজা।
তাতেই ক্ষান্ত হননি তখন তৎকালীন জরুরি অবস্থার পেটুয়া বাহিনী তাকে আটক করে নিয়ে যায়। এরপর তার বাড়িতেই কয়েক দফা পুলিশের অভিযান চলে, তছনছ করে দেয়া হয় তার বিছানাপত্র সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। রাজনৈতিকভাবে কয়েকটি মামলার সম্মুখীন হতে হয় তাকে, কিন্তু ২০০৮ সালে আজকের আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব নিলে, যুবলীগের নিবেদিতপ্রাণ হয়ে সরকারের উন্নয়নের বার্তা প্রতিনিয়ত মহানগর দক্ষিণের প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পৌছে দেন। এরপর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, বিশাল সময় অতিবাহিত করেছেন এই দায়িত্বে তবুও কোন অসৎ, সংগঠনবিরোধী, টাকার বিনিময় পদ-বাণিজ্য কোন কালিমা তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। তবে তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভালোবাসার হৃদয়ের বিন্দু বিন্দু ভালবাসা- আদর্শ এবং সততাই তার অর্জন। রাজনীতিতে মানুষ শুধু নিতেই আসেনা দেয়ার জন্য কিছু মানুষের সৃষ্টি হয়, রাজনীতিতে দিতে আসেন যারা তাদেরই একজন রেজাউল করিম। রেজাউল করিম রেজা ভাইকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ এর সভাপতি হিসেবে প্রত্যাশা করি এবং এ বিষয়ে প্রিয় নেত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।

নূরে আলম জীবন
গণমাধ্যম কর্মী

Sharing is caring!