দেশের বাজারে আবারো কমেছে সোনার দাম। ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে প্রতিভরি সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭২ হাজার ২৫৮ টাকা। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও তাদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, শুক্রবার দুপুর থেকেই সারাদেশে কার্যকর করা হয়েছে নতুন দাম। এর আগে চলতি মাসের ১৩ তারিখে প্রতিভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম ৪ হাজার ৪৫০ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির সাথে সাথে গত কয়েক মাসে দফায় দফায় বেড়ে খাটি সোনার ভরি ৭৮ হাজার টাকা ছাড়ায়।

গত প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী হওয়ায় দেশের বাজারে দাম কামনো হচ্ছে বলে জানায় বাজুস। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট সোনার ভরি পড়বে ৬৯ হাজার ১০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট মানের সোনার ভরি ৬০ হাজার ৩৬১ টাকা, সনাতনী স্সোনার প্রতিভরির নতুন দাম ৫০ হাজার ৪০ টাকা। রুপার বিক্রি হবে আগে দামেই ৯৩৩ টাকা ভরি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের প্রথম প্রায় আট মাস দাম ওঠানামার মধ্যে বেশ অস্থির সময় পার করেছে দেশের সোনার বাজার। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে মোট ৭ বার বাড়ানো হয় সোনার দাম। এর মধ্যে টানা ৪ বার বাড়ে মূল্যবান এই ধাতুর দাম। আর দামের বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে তিনবার কমানো হল এই আভিজাত্যের প্রতীকের দাম।

অর্থাৎ ৫ জানুয়ারি থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত ১০ বার সোনার বাজার দর ঠিক করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বাজুস। তবে, দেশের ব্যবসায়ীরা একবারও হাত দেয়নি রুপাতে। অর্থাৎ সাড়ে ৭ মাসে দাম ওঠানামায় বাজারে সোনা অস্থিরতা দেখালেও মূল্যবান এই ধাতুর পাশে নিরব থেকেছে রুপা।

মহামারি করোনার কারণে আন্তর্জাতিক বাজার দাম বৃদ্ধির আগের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলে সোনা। উৎপাদন ও সেবাখাতের স্থবিরতার কারণেই বিনিয়োগকারীরা সোনার পেছনে ছুটতে থাকে। এতেই রেকর্ড পরিমাণ দাম বৃদ্ধির ঘটনা ঘটে বিশ্ববাজারে। বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করতেই এতবার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশে সোনা ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাজুস।

Sharing is caring!