টেকনাফে বিজিবি’র অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ৬০,০০,০০০/- টাকা মূল্যমানের ২০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করছে বিজিবি।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান, পিএসসি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, ১০ আগষ্ট রাতে টেকনাফ উপজেলাধীন হ্নীলা ইউপিস্থ নোয়াপাড়া জেলেঘাটা বাজার হতে মটর সাইকেলযোগে লেদা বাজারে ইয়াবার একটি চালান পাচার হতে পারে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীনস্থ লেদা বিওপি’র একটি বিশেষ টহলদল দ্রুত জেলেঘাটা বাজারে অস্থায়ী চেকপোষ্ট স্থাপন করতঃ সকল প্রকার যানবাহন তল্লাশীর কাজে নিয়োজিত হয়। আনুমানিক ২০৫৫ ঘটিকায় দূর হতে ০১ টি মটর সাইকেলযোগে ০১ জন আরোহী বিজিবি’র চেকপোষ্ট দেখে মটর সাইকেলটি ইউটার্ণ করে বাজারের ভিতরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। টহলদলটি’র সন্দেহ হওয়ায় উক্ত মটর সাইকেল এর পিছনে ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে মটর সাইকেল আরোহী একটি প্যাকেট রাস্তায় ফেলে দ্রুত বাজারের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভিতর পালিয়ে যায়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, টহলদল উক্ত স্থানে পৌঁছে ইয়াবা কারবারী কর্তৃক ফেলে যাওয়া প্যাকেটটি উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত প্যাকেটের ভিতর হতে টহলদলটি ৬০,০০,০০০.০০ (ষাট লক্ষ) টাকা মূল্যমানের ২০,০০০ (বিশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে ইয়াবা কারবারীকে আটকের নিমিত্তে বর্ণিত এলাকায় ও পার্শ্ববর্তী স্থানে রাতভর তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন কারবারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ইয়াবা কারবারীকে সনাক্ত করার জন্য অত্র ব্যাটালিয়ন কর্তৃক সকল ধরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। উদ্ধারকৃত মালিকবিহীন ইয়াবাগুলো বর্তমানে ব্যাটালিয়ন সদরের ষ্টোরে জমা রাখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনী কার্যক্রম গ্রহণ পরবর্তীতে তা উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে।

Sharing is caring!