ব্যতিক্রমী কোরবানীর পশুর হাট বসিয়েছে সেনাবাহিনী

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দিনাজপুরে ব্যতিক্রমী কোরবানীর পশুর হাট বসিয়েছে সেনাবাহিনী। শহরের মহারাজা গিরিজানাথ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রোববার থেকে এই মাঠে ওয়ান ওয়ে পশুর হাটের উদ্বোধন হয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, গেল বারের তুলনায় এবার গরু প্রতি পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা কম। এদিকে ঝালকাঠি জেলায় অর্ধশত স্থানে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট বসেছে। হাটগুলোতে পশু সরবরাহ পর্যাপ্ত হলে করোনা প্রবাহে ক্রেতা উপস্থিতি দেখা গিয়েছে খুবই কম।

দিনাজপুরে এবারই প্রথমবারের মত কোরবানীর জন্য সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে ওয়ানওয়ে পশুর হাটটি চালু করা হয়েছে। সাপ্তাহিক হাট বারে মানুষের চাপ কমাতে সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিদিন পশুর হাট বসবে ঈদের শেষ দিন পর্যন্ত।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফোর হর্স ইউনিটের ১৬ বিগ্রেড এর ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের ক্যাপ্টেন মো. ইসতিয়াজ আরাফাত বলছেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। মাক্স ছাড়া এই হাটে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। যাদের মাক্স নেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাদের বিনা মূল্যে মাক্স দেওয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশু কিনতে আসায় নিরাপদ বোধ করছে ক্রেতারা। পাশাপাশি গতবারের চেয়ে এবার কুরবানির পশুর দাম বেশি অভিযোগ ক্রেতাদের। তবে বিক্রেতারা বলছে লোকসানের কথা।
ইজারাদার বলেন, করোনাকালীন আতঙ্ক, বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে এবার পশুর হাটে ইজারার টাকা তোলাই কঠিন হয়ে পড়বে। খুব লোকসানে পরব এবার।

এদিকে, ঝালকাঠিতে অর্ধশত স্থানে বসেছে কোরবানির হাট। হাটগুলোতে কেউ মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। এছাড়া পশুর দাম নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের রয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

Sharing is caring!