ভ্যাকসিন কিনতে জার্মানি-যুক্তরাষ্ট্রের ২শ’ কোটি ডলারের চুক্তি

১ হাজার কোটি ডোজ করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন কেনার জন্য ফিজার আর বায়োনটেকের সাথে ১শ’ ৯৫ কোটি ডলারের চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জার্মানির বায়োনটেক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফিজারের সাথে এ চুক্তি করে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও প্রতিরক্ষা অধিদপ্তর। চুক্তির আওতায় আরো ৫ হাজার কোটি ডোজ ভ্যাকসিন যুক্তরাষ্ট্র নেবে যেন দেশের মানুষ বিনামূল্যে এই ভ্যাকসিন পায়।

করোনা মহামারির শুরু থেকেই এ দুই প্রতিষ্ঠানই ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। সফল হলে একসাথে ১ হাজার কোটি ডোজ ভ্যাকসিন চলতি বছরের শেষ নাগাদ তৈরি করবে এ দুই প্রতিষ্ঠান। ২০২১ সালের মধ্যে এ সংখ্যা হবে ১ হাজার ৩শ’ কোটি ডোজ। মানুষে এই ভ্যাকসিন আগস্টেই পরীক্ষামূলক প্রয়োগের কথা রয়েছে।

করোনা সংকট মোকাবিলায় গঠিত যুক্তরাষ্ট্রের অপারেশন র‌্যাপ স্পিড প্রোগ্রাম থেকে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদই মানুষের শরীরে ভ্যাকসিন সফল প্রয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারির মধ্যেই নিরাপদ ও কার্যকরী ভ্যাকসিন অন্তত ৩ হাজার কোটি ডোজ মার্কিনিদের দেয়ার কথা রয়েছে।

এরমধ্যে কার্যকরী ভ্যাকসিন পেতে নোভাভাক্সের সাথে ১শ’ ৬০ কোটি ডলারের চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিষ্ঠানটির ২০২১ সালের মধ্যে ১ হাজার কোট ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহের কথা রয়েছে। এছাড়াও, ২০২১ সালের মার্চে ভ্যাকসিন পেতে জনসন এন্ড জনসনের সাথে ৪৫ কোটি ডলারের চুক্তি হয়েছে। এপ্রিলে ভ্যাকসিন পেতে ৪৮ কোটি ডলারের চুক্তি হয়েছে মর্ডানার সাথে।

২০২১ সালের মে মাস নাগাদ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আস্ট্রাজেনেকা’র তৈরি ভ্যাকসিন পেতে ১শ’ ২০ কোটি ডলারের চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে, দেশেই করোনার ভ্যাকসিন আর ওষুধ তৈরিতে এমারজেন্ট বায়োসল্যুশনসকে ৬২ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

Sharing is caring!