সুজন হাওলাদারঃ  ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭৪নং ওয়ার্ডের প্রতিষ্ঠাতা কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ বিদায়ের লগ্নে দাঁড়িয়েও হাসি মুখে মানুষের পাশে দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে। একটি দিনের অপেক্ষা, আসবে নতুন কাউন্সিলরের দায়িত্বে। যেভাবে মানুষের দায়িত্ব নিজের কাদে তুলে নিয়ে ছিলেন আবুল কালাম আজাদ, কারো মুখে হাঁসি ফুটানো কি অনেক কষ্টের? অসহায় মানুষদের মাঝে কয়েক দফায় যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করেছেন বিদায়ী এ কাউন্সিলর, যা আগামী অব্যাহত থাকবে কি না এ নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকেই। এদিকে ৭৪নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর নাসরিন আক্তারও দিন রাত পরিশ্রম করে অসহায় মানুষের ঘরে প্রধানমন্ত্রীর উপহকর সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। ওয়ার্ডে নব নির্বাচিত কাউন্সিলরের দেখা পেয়েছেন এমন লোক একজনও পাওয়া যায়নি খুঁজে। এ বিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, আমরা মনে প্রাণে চেয়েছিলাম আবুল কালাম আজাদ ভাইকে। কিন্তু তার দল তাকে মনোনয়ন দেয়নি বলে সে নির্বাচনে দাঁড়ায়নি। যার ফলে এ ওয়র্ডে আওয়ামী লীগের নিবেদিত, যিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে পারেন, এমন ব্যক্তি নির্বাচনের মাঠে না থাকায় অনেকটা বিপাকে পড়েন সাধারণ ভোটাররা। স্বল্প সময়ে নিজেকে কালাম প্রমাণ করেছেন একজন সফল জনপ্রতিনিধির কি কি দায়িত্ব। অন্যদিকে এই ওয়ার্ডের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অনেক নেতা থাকলেও দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে নিজের উদ্যোগে তাদের পাশে দাঁড়ায়নি অনেকেই। তবে ব্যতিক্রমী সাবেক ছাত্রনেতা ও ৭৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নিবেদিত প্রাণ, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হালিম সরকার প্রায় ১৫ শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার হিসেবে বিতরন করেছেন। রাতের আধারে তালিকা করে অহসায় মানুষের ঘরে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। তবে পশ্চিম দিকে কিছু পরিবারের ত্রাণ সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করলেও বিদায়ী কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, আমি দায়িত্বে না থাকলেও মানুষের পাশে সেবক হিসেবে, শেখ হাসিনার কর্মী হয়ে কাজ করে যাবো। কাউন্সিলর হিসেবে আমার এই স্বল্প সময়ের পথচলায় কারো মনে কষ্ট দিলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। স্থানীয় সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরীর পক্ষেও ব্যাপক সহায়তা পেয়েছেন এ ওয়ার্ডবাসী। একটি সূত্র বলছে, আগত কাউন্সিলর আজিজুল হককে বিদায়ী কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদের সহযোগিতা নিয়েই পথচলতে হবে। কারণ মানুষের আস্থা ও ভালবাসার প্রতিধ্বনিতে রূপ নিয়েছে আবুল কালম আজাদ।

Sharing is caring!