সুজন হাওলাদারঃ ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দক্ষিণ এর ৬ নম্বর ওয়ার্ডটি আগে ২৯ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। মুগদা পাড়ার বিভিন্ন এলাকা নিয়ে এই ওয়ার্ডটি গঠিত। এই এলাকার উল্লেখযোগ্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা স্টেডিয়াম। এই ওয়ার্ডেও জিরানি খালের কিছু অংশ পরেছে।

অন্তর্ভুক্ত এলাকাগুলো:

উত্তর মুগদা, দক্ষিণ মুগদা, মদিনাবাগ, জান্নাতবাগ, শান্তি কানন, মোহাম্মদী সড়ক, ব্যাংক কলোনি, ওয়ার্ড গলি, কমিউনিটি সেন্টার গলি।

ওয়ার্ডটি ঘনবসতি হিসেবে পরিচিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনার ঝুঁকিতে এ ওয়ার্ড। সরাসরি ত্রাণ না পাওয়া ও যারা ত্রাণ পেয়েছেন মানসম্মত ত্রাণ না হওয়ায় ওয়ার্ডটিতে কাউন্সলরের বিপক্ষে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটেছে। তবে ৬নং ওয়ার্ডটিতে দরিদ্র পরিবারের কাছে কম-বেশি ত্রাণ পৌঁছেছে। কাউন্সিলরের ভূমিকা নিয়ে কিছুটা প্রশ্ন থাকলেও আওয়ামী লীগের কিছু নেতার মানবিকতার কারণে দরিদ্র পরিবারগুলো স্থানীয় সাংসদের সহায়তা ও নেতাদের ত্রাণ পেয়েছেন।
৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি অলি উলাহ জুম্মন’কে ত্রাণ কার্যক্রমে মানুষ না পেলেও মুগদা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন বাহার এর তত্তাবধানে ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া রাজা শুরু থেকেই অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে গোলাম কিবরিয়া রাজা কিছুটা অসুস্থতায় বাসায় রয়েছেন, নিজ থেকেই।
এদিকে, ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি নূর ইসলাম এই সংকটময় মুহূর্তের শুরু থেকেই ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছেন। নিজে মেপে মেপে ত্রাণ সাধারন মানুষের মাঝে বিতরন করেন। সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরীর পক্ষেও ত্রাণ বিতরন করেন যুবলীগের এই নেতা।
এদিকে, মঙ্গলবার থেকে ও এম এস’য়ে ১০ টাকা কেজি চাল বিতরন শুরু করেছেন ওয়ার্ডটিতে। যার তত্ত্বাবধানে রয়েছেন কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম ভাট্টি।
এলাকাটি ঘুরে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ত্রাণ সহায়তা এখনো অনেক গরীব মানুষ পায়নি। আবার কেউ কেউ দুই থেকে তিনবারও পেয়েছেন ত্রাণ সহায়তা।
ওয়ার্ডটিতে বিএনপির কোনো কার্যক্রম লক্ষ্য না করা গেলেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে ত্রাণ পৌঁছে যাচ্ছে দরিদ্র মানুষের ঘরে। এদিকে মুগদা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আনিসের নেতৃত্বে ত্রাণ বিতরন করেছে মুগদা থানা ছাত্রলীগ।

Sharing is caring!