আনলিমিটেড নিউজঃ বাংলাদেশের একমাত্র অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। অনাবাসিক হওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীই মেসে থাকে। যার অধিকাংশ শিক্ষার্থীই টিউশনি এবং বিভিন্ন পার্ট টাইম জব করে মেস ভাড়া পরিশোধ করতো। কিন্তু বর্তমানে করোনা ভাইরাসের কারণে টিউশনি এবং পার্ট চাকুরি সব বন্ধ।

এমতবস্থায় করোনাভাইরাস পরবর্তী মেস ও বাড়ি ভাড়া সংকট নিরসনে তিন দফা দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

ফেসবুক গ্রুপ ‘করোনা মহামারীতে বাড়িভাড়া সংকট নিরসন চাই’ এর সাথে সংশ্লিষ্ট খবির উদ্দিন লাঞ্চু ও নাহিদ ফারজানা মীম এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এ দাবি জানান।

তারা বলেন, করোনা মহামারীতে মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও বন্ধ আছে। ইতিমধ্যে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ছুটি তিন মাস পেরিয়ে গেছে। এমতাবস্থায় সম্পুর্ণ অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে জবি শিক্ষার্থীরা ব্যাপক সংকটের সম্মুখীন। ভাড়া পরিশোধের জন্য একটি দুশ্চিন্তা সবসময় শিক্ষার্থীদের তাড়িয়ে ফেরে। বারবার প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করলেও দায়সারা বক্তব্য ছাড়া কোনো যথোপযুক্ত সমাধান আসেনি।

এরূপ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আমরা সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি রাখছি- শিক্ষার্থীদের বাড়িভাড়ায় ৫০% ভর্তুকি দিতে হবে, করোনা মহামারী পরবর্তী সেমিস্টারের সকল প্রকার ফি মওকুফ করতে হবে, জবিসহ ঢাকা শহরের সকল শিক্ষার্থীর বাড়িভাড়ার ৫০% মওকুফের জন্য সিটি কর্পোরেশনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলতে হবে।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, আমরা যেখানে এক-দুমাসের ভাড়াই পরিশোধ করতে পারছি না, সেখানে ৫-৬ মাসের বকেয়া ভাড়া একসাথে পরিশোধ করার কোনো বাস্তবতা নেই। এই পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা হয়নি, তার বাজেট রয়ে গেছে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় দিবসসহ যে সকল দিবস উপলক্ষে বড় বড় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, এবছর সেখানে বরাদ্দ কমিয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তুকি দিন।

Sharing is caring!