সুজন হাওলাদারঃ করোনা পরিস্থিতিতে নিম্ন-মধ্যম আয়ের মানুষেরা রয়েছে বিপাকে। রাজধানীর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭৩নং ওয়ার্ড বাসিন্দারা খুবই মানবেতর জীবনযাপন করছে। সরকারীভাবে কিছু সহায়তা ও রান্না করা ১ বাটি খাবার একটি একটি পরিবার পেলেও তা কোনোভাবে বেঁচে থাকার মতো নয়। ৭৩ নং ওয়ার্ডটি যেন শহরের বুকে গ্রাম। স্কুল-কলেজ-হাসপাতালের সুবিধা নিতে হলে তাদের ৪নং বা ৫নং ওয়ার্ড অতিক্রম করে আসতে হয়। প্রায় দেড় বছর আগে ইউনিয়ন থেকে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত ৭৩ নং ওয়ার্ড হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়ায়। সুবিধা বঞ্চিত মানুষগুলোও স্বপ্ন পূরণে সব ধরনের ভ্যাট দিচ্ছে সরকারকে। এ ওয়ার্ডে অবৈধভাবে ব্যাপক গ্যাস সংযোগ থাকলেও কাউন্সিলর শফিকুল ইসলামের তাতে কোনো মাথা ব্যথা নেই। জানা যায়, এ অবৈধ গ্যাস সংযোগ পাইয়ে দিতে দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিয়েছে কেউ কেউ সাধারণ মানুষ থেকে। ওয়ার্ডটিতে অনেকেই নিজেদেরকে ক্ষমতাধর হিসেবে জাহির করলেও দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে তাদের অসহায় মানুষের পাশে দেখা যাচ্ছে না। নাম মাত্র কিছু কীটনাশক ছিটানো, আর বলা যায় লোক দেখানো কিছু খাদ্য সামগ্রী মানুষের মাঝে বিতরন করছে কাউন্সিলর। আর সরকারি ত্রাণ বিতরনে মাঝে মাঝে তদারকি করেছেন সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন দাস। তবে ওয়ার্ডটি ঘুরে জানা যায়, কাউন্সিলর শফিকুল ইসলামের শারীরিক অবস্থায় প্রবীন রাজনীতিবীদ। আর তার অধিকাংশ কাজের দায়িত্ব থাকেন তার ছেলে জিহাদ। তার বিরুদ্ধে রয়েছে মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করার অভিযোগ। ওয়ার্ডে ব্যক্তিগত ভাবে কেউ কেউ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেও মানুষের ক্ষোভ দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের দিকে। ব্যক্তিগতভাবে আজিজ মোল্লা, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ইচ্ছা শক্তি ফাউন্ডেশন এর সভাপতি মাহি ব্যাক্তিগতভাবে ত্রাণ সহায়তা করেছেন।
৭৩ নং ওয়ার্ডের একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন তাদের থেকে জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি অনেকেই নিলেও কেউ তাদের ত্রাণ সহায়তা দেননি। আবার কেউ কেউ ত্রাণ সহায়তা পেলেও সঠিক পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

Sharing is caring!