করোনার এই সময়ে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীদের কাছে দেশের মানুষের কথা তুলে ধরছেন সাংবাদিকেরা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে লোকজনের ত্রাণ না পাওয়ার কথা বলছেন তারা।

অনেক সময় স্থানীয় নেতাদের সাথে জনগণের সমস্যা তুলে ধরতে গিয়ে কথা কাটাকাটি হয় সাংবাদিকদের। ডাক্তার রোগী দেখছে না এটি সংবাদ করে তারা প্রকাশ করছে। ডাক্তারের পিপিই নেই, ঔষধ নেই সেই কথা তারাই তুলে ধরছেন। আপনার বাড়িতে পানি নেই, গ্যাস নেই, রাস্তা খারাপ সমস্ত কথা তারাই তুলে ধরেন। রাত ১ টার সময় আপনার বাড়ির দরজায় পুলিশ, সবার আগে আপনি সেই সাংবাদিককে ফোন করেন। দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কি হচ্ছে তা আপনারা এই সাংবাদিকের মাধ্যমে জানতে পারেন।

এমনকি নিজের জেলাও এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় কি হচ্ছে তাও জানতে পারেন তাদের জন্য। করোনার এই সময় সাংবাদিকরা ইচ্ছা করলে একটু ফাঁকি মারতে বা গাঁ ছেড়ে দায়িত্ব পালন করতে পারতেন। কিন্তু তারা খুঁটে খুঁটে সংবাদ সংগ্রহ করে তাদের দায়িত্ব পালন করছে। কিন্তু তাদের কথা কি কেউ মনে রেখেছেন ?

দেশের একটি ফিনান্স কোম্পানি, যারা এই সময়ে সেবা দিচ্ছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সকলকে একত্রিত করে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়েছেন। সেই ছবিটি সাংবাদিকের বুম অর্থাৎ মাইক্রোফোন থাকলেও কোন সাংবাদিকের প্রকৃতি ছবি নেই। পরিশেষে একটি কথা, দায়িত্ব পালনকারী এই সাংবাদিক ভাইয়েরা কি একটি ধন্যবাদ পেতে পারে না ?

লেখকঃ অনুব্রত সাহা মিঠুন,
যশোর প্রতিনিধি
বাংলা টিভি।

Sharing is caring!