সুজন হাওলাদারঃ রাজধানী সবুজবাগ থানাধীন বাসাবো, মাদারটেক, কদম তলা, নন্দীপাড়াসহ খিলগাঁও থানাধীন এলাকা লকডাউনের আওতায় প্রশাসনের কঠোর নজরধারীতে থাকবে। সেনাবাহিনীও কঠোর অবস্থানে তাদের দায়িত্ব পালন করবে। রোববার বাসাবো এলাকায় ৯ জন করোনা রোগী আক্রান্ত হওয়ায় ওই এলাকাসহ আশপাশের কয়েকটি মহল্লায় লকডাউন ঘোষণা করা হলেও মানুষ তবুও বাসা থেকে নানা অজুহাতে বের হয়, তবে সামাজিক দূরত্ব মেনে না চললে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় মন্ত্রী পরিষদ এর মিটিং থেকে। এদিকে যেখানে করোনা আক্রান্ত পাওয়া যাবে সেখানেই লক ডাউনের আওতায় নিয়ে আসার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর সবুজবাগ থানাধীন এলাকায় কঠোর অবস্থায় টহল জোরদার করেন। সেনাবাহিনীও আগের থেকেও একটু রাগান্বিত ভূমিকায় টহল দিচ্ছে।

এদিকে উত্তর বাসাবোর বৌ বাজার সকালে মানুষের ভিরে মুখোর থাকলেও দুপুরে পুলিশ এসে তা উঠিয়ে দেয়। আর যেন কেউ না বসেন তার নির্দেশনাও দিয়ে যায়।

 

মাদারটেক বাজার গলিতে মানুষ আর মানুষ। তাদের বিষয়ে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। অযথা রাস্তায় ঘুরাঘুরি তাদের বন্ধ না হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন। এখানে কাউন্সিলর ও নব-নির্বাচিত কাউন্সিলরের বাসা হলেও মানুষকে সচেতনতায় তাদের কারো কোন উদ্যোগ নেই বিধায় মানুষ রাস্তায় এমনটাই অভিযোগ রয়েছে।

নন্দীপাড়ায় করোনা আক্রান্ত রোগি ৭জন পাওয়া যাওয়ার পর কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ কোনো ধরনের সচেতনামূলক কার্যক্রম গ্রহণ না করে জীবানুনাশক ঔষুধ ছিটানো ও কেউ ত্রাণ দিলে সেখানে উপস্থিত হয়ে ত্রাণ বিতরণে ব্যস্ত থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নিজ উদ্যোগেও কিছু ত্রাণ বিতরন করেছেন তিনি।

Sharing is caring!