আনলিমিটেড নিউজঃ পাইপলাইনের গ্যাসের স্বল্পতায় শহরে-মফস্বলে জনপ্রিয় হচ্ছে তরল এলপিজি। কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বিপাকে পড়তে হচ্ছে গ্রাহককে। পূর্বঘোষণা ছাড়াই যখন তখন এর দাম বাড়াচ্ছে বেসরকারি এলপি গ্যাস সরবরাহকারী কোম্পানিগুলো। এবার আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) প্রতিটি সিলিন্ডারের দাম একলাফে ২০০ টাকা বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সারাদেশে আজ শনিবার থেকে এই বর্ধিত মূল্য কার্যকর হবে।

 

 

 

 

খুচরা বাজারে আজ থেকে ভোক্তাদের প্রতি সিলিন্ডার (১২ কেজি) কিনতে হবে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ১২০ টাকা দরে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভোক্তারা এসব সিলিন্ডার ৯০০ থেকে ৯২০ টাকায় কিনতে পারতেন। দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়ার মধ্যেই গত বৃহস্পতিবার থেকে বাজারে এলপিজির সংকট দেখা যায়। পরিবেশকরা খুচরা বিক্রেতাদের কাছে এলপিজি সরবরাহ বন্ধ করে দেন। ফলে খোলাবাজারে শুক্রবার এলপি গ্যাসের সংকট দেখা দেয়। তবে এই দাম বৃদ্ধির পেছনে সরকারের নিয়ন্ত্রণহীনতাকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

 

 

 

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান ছামসুর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে যেভাবে দাম বাড়ে সে অনুযায়ী দেশীয় বাজারে দাম বাড়ানো উচিত। তিনি জানান, এক টন এলপিজিতে ৮২ বোতল (১২ কেজির) এলপিজি ভরা যায়।

 

 

 

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, এলপিজি ব্যবসায়ীদের সব সময় নানা সুবিধা দিয়ে আসছে সরকার। আর ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে মতো দাম বাড়িয়ে গ্রাহকদের পকেট কাটছে। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে এ বিষয়ে একাধিকবার বলা হয়েছে। কিন্তু তারাও কোনো ভূমিকা রাখছে না।

Sharing is caring!