আনলিমিটেড নিউজঃ  স্বেচ্ছাসেবক লীগের তৃতীয় জাতীয় সম্মেলন আজ। সম্মেলনে শীর্ষপদ নিয়ে তৎপর সাবেক ছাত্রনেতারা। দলে অনিয়মিত ও সমালোচিতরাও হচ্ছেন প্রার্থী। নীতি নির্ধারকরা বলছেন, গোয়েন্দা পুলিশের মাধ্যমে নেয়া হচ্ছে নেতাদের খোঁজখবর। নিয়মিত, ত্যাগী ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতা খুঁজছেন তারা।

 

 

 

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের পুনর্বাসন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত স্বেচ্ছাসেবক লীগের নগর সম্মেলন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

 

 

 

সম্মেলন ঘিরে রাজধানী জুড়ে লাগানো হয়েছে পোস্টার ব্যানার ফেস্টুন। কেন্দ্রীয় নেতা ও সংগঠনটির নীতি-নির্ধারকদের কাছে ধর্ণা দিচ্ছেন পদপ্রত্যাশীরা। দীর্ঘদিন সম্মেলন না হওয়ার পেছনে সাবেক নেতাদের দায়ী করছেন তারা।

 

 

 

গত সাতবছরেও দলীয় কর্মকাণ্ডে যারা অনুপস্থিত এমন নেতারাও চাচ্ছেন দলটির শীর্ষপদ। নিয়মিত ও পরীক্ষিতদের মূল্যায়নের দাবি পদপ্রত্যাশীদের।

 

 

 

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলীশ বেপারী বলেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করছেন এবং রাজপথে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তেমন নেতৃত্ব আমরা প্রত্যাশা করছি।

 

 

 

যাদের সাংগঠনিক যোগ্যতা রয়েছে তাদের হাতেই তুলে দেয়া হবে দলটির আগামী নেতৃত্ব, বলছেন নীতি নির্ধারকরা।

 

 

 

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, রাজনীতিতে একদিনে কেউ নেতা নির্বাচিত হয় না। দীর্ঘদিন যারা রাজনীতিতে জড়িত রয়েছেন তাদের তো আমরা চিনি।

 

 

 

গেল মাসে আওয়ামী লীগের চার সহযোগী সংগঠনের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।