নূরে আলম জীবন: ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয়বারের মতো রাষ্ট্র পরিচালনায়। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বির্নিমাণে তারই সু-যোগ্য কন্যা, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা অবিরাম প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশকে আজ বিশ্বের উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের কাতারে নিয়ে এসেছে। কিন্তু বিশ্বের বুক থেকে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা ও তারই যোগ্যকন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে বহুবার। যার মধ্য দিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা বাঙালির স্বাধীনতাকে করতে চেয়েছিল পরাধিন।

 

ইতিহাস বলে শুধু শেখ হাসিনাকেই নয়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সকল স্থরের নিবেদিত নেতাকর্মীদের উপর জেল, জুলুম, হামলা, মামলাসহ নির্মম অত্যাচার করা হয়। এমনই এক নেতা, যিনি ৮৬ তে ছাত্রলীগের পতাকা তলে এসে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে ৯০ এ স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে প্রথম গ্রেফতার হন, তারপর ৯৪, ২০০৭ সালসহ বহুবার গ্রেফতার হন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা।

 

 

 

৭ম কংগ্রেস অনুষ্ঠানের পথে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ সম্প্রতি শুদ্ধি অভিযানে হঠাৎ থমকে গেলেও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও তারুণ্যের সততার প্রতিক, বারবার কারা নির্যাতিত নেতা, রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার স্নেহভাজন এইচ এম রেজাউল করিম রেজার নেতৃত্বে আগামী যুবলীগের স্বপ্ন দেখছে তৃণমূল যুবলীগ নেতাকর্মীরা।

 

 

 

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সম্ভাবনাময় আগামীর সভাপতির আলোচনায় রেজাউল করিম রেজা সবার পছন্দের।

 

 

বিগত দিন গুলোতে প্রতিটি কর্মসূচিতেই ছিল রেজাউল করিম রেজার সহযোগীতা। শান্ত ও মিষ্টিভাষি মানুষ হিসেবে রেজার রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। ৮৬’র ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে পথচলা শুরু হলেও তৃণমূল রাজনীতিতে নিজের জীবন বাঁজি রেখে তিলে তিলে তৈরি হয়েছে আজকের রেজা। যিনি মনে করেন রাজনীতিতে বহুপথ চলা এখনো বাকি রয়েছে। ছাত্রজীবনে ফুটবল খেলায় ছিল অধম্য সাহসি ও দূরন্ত। রাজনীতিতে এসেছিলেন বলেই হয়তো বহুবার জেলে যেতে হয়েছে তার। যিনি ক্ষমতা পেয়েও কখনো ক্ষমতার অপব্যবহার করেননি, কখনো কাউকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার করেননি, সেই মানুষকে ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই বহুল আলোচিত মাইনাস টু ফর্মূলার অংশ হিসেবে তৎকালীন জরুরী অবস্থার প্রশাসন শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করলে তাৎক্ষনিক নেত্রীর মুক্তি দাবীতে এইচ এম রেজাউল করিম রেজা’র নেতৃত্বে রাজধানীর রায়শা বাজার মোড়ে মিছিল নিয়ে কোর্ট এর দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় গাড়ি আটকালে পুলিশের নির্মম নির্যাতনের শিকার ও গ্রেফতার হন তিনি। তৎকালীন সকল জাতীয় পত্রিকার শিরোনাম হন রেজাউল করিম রেজা। গ্রেফতার হওয়ার আলোচিত শিরোনাম ছিল “গ্রেফতারের প্রতিবাদে গ্রেফতার”। অন্যদিকে, শৈশবে যিনি ছিলেন ফুটবল খেলোয়ার বর্তমান প্রেক্ষাপটে আজ তিনি দেশের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ক্লাব শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের অন্যতম পরিচালক। শুধু তাই নয় ১৯৯৫ সালের ১৮ অক্টোবর যে ৭ জনের হাত ধরে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের যাত্রা শুরু হয়; সেই সাত প্রতিষ্ঠাতার অন্যতম একজন এইচ এম রেজাউল করিম রেজা। যার প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন শেখ হাসিনা এবং উপদেষ্ঠা ছিলেন শেখ রেহেনা। ২০১৩-১৪ বর্ষে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের টিম ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন রেজা। আর সে বছরই ক্লাবের সকল সদস্যদের সহযোগীতায় শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র স্বরণকালের সেরা খেলা উপহার দিয়ে ৪টি বড় অর্জন নিজেদের ঘরে নিয়ে আসে। যার তিনটিতে চ্যাম্পিয়ন ও একটিতে রানার আপ হয় শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র।

 

 

এইচ এম রেজাউল করিম রেজা অনেকবার বিএনপি জামায়াতের আক্রোশের শিকার হয়েছেন। তার পরিবারকে সইতে হয়েছে যন্ত্রণা। বহুল আলোচিত হেফাজত ইসলামের তাণ্ডবে বাংলার মানুষ যখন আতঙ্কিত, রাষ্ট্র যখন প্রশ্নের মুখে? তখন যুবলীগের নেতৃবৃন্দ প্রহরীর ভূমিকায় রাজপথে ছিল। সেদিন রেজাউল করিম রেজাসহ যুবলীগের অনেক নেতাকর্মী রাজধানীর জয়কালী মন্দীর, টিকাটলি এলাকার মানুষের নিরাপত্তায় অতন্ত্য প্রহরীর মতো অবস্থান নিয়ে ছিলেন। আজও স্থানীয়দের সেই দিনের কথা মনে পরলে, স্বরণ করে রেজার সাহসীক ভূমিকার কথা। যারা কখনো বিরোধী দলের আন্দোলনে রাজপথে হাটেনি, স্লোগান দেয়নি, পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়নি এমন অনেকেই আজ সু-সময়ে দলকে ব্যাবহার করলেও ব্যতিক্রম রেজা।

 

 

যিনি ভাবেন দেশের কথা, দলের কথা, মানুষের কথা। তিনি মনে করেন এখনো তিনি দলকে কিছুই দিতে পারেননি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আজকে তাকে রেজা’য় পরিণত করেছে। যার সততা, নিষ্ঠা এবং দৃঢ়তা আগামী তরুণদের অনুপ্রেরণা।

 

 

 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন সাধারণ কর্মী হয়ে রাজনীতি করলেও এইচ এম রেজাউল করিম রেজা অনেকবার রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কাছে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। যেখানে অনেক নেতাকর্মীই আছেন প্রিয় নেত্রীর সাথে দেখা করে কিছু চাওয়ার, আর এ বিষয়ে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম তিনি। তবে আসন্ন কাউন্সিলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি দেখতে চায় নেতাকর্মীরা এইচ এম রেজাউল করিম রেজাকে।

 

 

 

তিনি বিশ্বাস করেন রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নেবেন না, সংগঠনের প্রয়োজনে, মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ইমেজ ফিরিয়ে আনতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা সময়ের সঠিক সিদ্ধান্তই নিবেন।

 

 

 

এইচ এম রেজাউল করিম রেজা বলেন, ৭ম কংগ্রেসের মাধ্যমে যুবলীগ আরো শক্তিশালী নেতৃত্ব উপর দিবে। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে প্রতিষ্ঠিত রূপ দিতে কাজ করবে। লাখ লাখ নেতাকর্মীর সংগঠন যুবলীগ, কারো জন্য যুবলীগ থেমে থাকবে না। নতুন উদ্যমে, নতুন মহিমায় এগিয়ে যাবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ এমনটাই প্রত্যাশা তার

Sharing is caring!