আনলিমিটেড নিউজঃ পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মানব, যার আগমণে বদলে গেছে ধরণী, মিথ্যার অন্ধকার থেকে এই দুনিয়ায় যিনি দেখিয়েছেন আলোর পথ, সবরকমের অনাচার, অন্যায় আর অনিষ্টকে ধূলিস্মাৎ করে যিনি এই পৃথিবীতে নিয়ে এসেছেন শান্তির বার্তা, সেই মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও ওফাত দিবস রোববার (১০ নভেম্বর)। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে উদযাপন করবেন।

 

 

 

 

বিশেষত দুটি কারণে ১২ রবিউল আউয়াল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। প্রথমত, সব ইতিহাসবিদের ঐকমত্য বর্ণনা মতে, এই দিনেই মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) লক্ষ-কোটি ভক্ত-অনুরক্তকে এতিম বানিয়ে এ পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, প্রসিদ্ধ অভিমত অনুযায়ী এই ১২ রবিউল আউয়াল মহানবী (সা.) জন্মগ্রহণ করেছেন।

 

 

 

 

হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর আগমনের সময় আরব বিশ্ব অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। সেসময় মানুষদের মধ্যে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও কলহ লেগেই থাকত। যে যুগকে ধরা হয় ‘আইয়ামে জাহেলিয়াতের’ যুগ হিসেবে। এমন সময়ে ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল সোমবার সুবহে সাদেকের সময় মক্কা নগরীর সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমেনা ও আব্দুল্লাহের ঘর আলো করে এই পৃথিবীতে আসেন হযরত মোহাম্মদ (সা.)।

 

 

 

সপ্তাহের এ দিনটি তিনি নিজেও রোজা রাখতেন। মহানবী (সা.)-কে সোমবারের রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘এই দিনে আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং এই দিনে আমাকে নবুয়ত দান করা হয়েছে।’ (মুসলিম শরিফ, হাদিস : ১১৬২) বর্তমানে মুসলমানরা দিনটিকে ‘ঈদে মিলাদুন্নবী’ হিসেবে পালন করে। ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে গতকাল শনিবার (৯ নভেম্বর) থেকে বায়তুল মুকাররম মসজিদের পূর্ব সাহানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) ১৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়েছে।