বিশ্বকে শান্তিময় রাখতে রোহিঙ্গাদের বিষয়ে ক্ষমতাশীল দেশগুলোর ঘুম ভাঙতে হবেই

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী ইশতেহারেই দুর্নীতির প্রশ্নে ‘জিরো টলারেন্সে’র অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেছিলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ঘিরে কিছু ভিন্ন স্বর শোনা গেলেও যে বিষয়ে কোনো সংশয় ছিল না তা হল বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি, জনপ্রিয়তা আর দেশের বদলে যাওয়ার চমকে দেয়া সাফল্য। হয়তো অত্যুক্তি হবে না, সমসাময়িক বাংলাদেশে তো নয়ই, অদূর ভবিষ্যতেও তার নেতৃত্বের কোনো বিকল্প অন্তত এখনও নজরে আসছে না। কিন্তু এতসব ইতিবাচক রূপান্তরের গল্পগাথাও জনমানসে স্বস্তি আনে না, যদি কিনা এ উন্নয়ন টেকসই না হয় বা অগ্রগতির ধারাবাহিকতা ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। সরকারের দীর্ঘ ক্ষমতায়নে বহু স্থর দুর্নীতি, অবৈধ বা অনৈতিকভাবে সাধারণ মানুষকে জিম্মি বা সরকারের ভাবমূর্তিক্ষুন্ন করে আসছিলো। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরামর্শে বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজের ঘর বা দল থেকেই শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন। রাজনীতিকে যারা অপরাজনীতিতে নিয়ে এসেছিলেন তাদের বিরুদ্ধেই এ্যাকশান নিচ্ছে সাহসীনেত্রী শেখ হাসিনা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষণ দৃষ্টি আগামীর বাংলাদেশকে সাজিয়েছে আইনের শাষনে, মানবতার কল্যানে, অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বির্নিমানে কাজ করছে সরকার। শুদ্ধি অভিযানের মধ্য দিয়ে ক্যাসিনো বা ফ্রীডম খালেদ, যুব সম্রাট, জি কে শামিমসহ বেশ কয়েক জন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। উত্তরের দুইজন কাউন্সিলরও এ অভিযানে গ্রেফতার হয়েছেন। এ অভিযানের ফলে সাধারণ মানুষের মনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গ্রহণযোগ্যতা ও সাহসীকতার অনন্য দৃষ্টান্তের বহিঃপ্রকাশ হয়েছে। দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা নতুনভাবে রাজনীতির মাঠে থাকার ভরসা পাচ্ছে। যারা বিরোধী দলের রাজনীতি করে সুসময়ে নিজ দলেই কোনঠাসা হয়ে গিয়েছিলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের দুর্নীতি, জামায়াত-বিএনপির সাথে আতাত, দলের পদকে বিক্রি, ভূমিদস্যুতা, মাদকের সাথে সম্পৃক্ত তৃণমূলকে যারা হতাশা আর অসহায়ত্বে পরিনত করেছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শুদ্ধি অভিযান প্রত্যাশা তৃণমূলের।

দলের পদকে ব্যবহার করে বা কেউ কাউন্সিলের দায়িত্ব পেয়ে সাধারণ মানুষের সমস্যার সুযোগ নিয়ে ধরাকে সরা জ্ঞান বানিয়ে নিজের রাজত্ব কায়েম করে যাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট সবিনয়ে বলতে চাই, ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালান, বাস্তবিক অর্থে নিউজ করতে মাঠে নামলেই নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভূমিদস্যুতার অভিযোগ চলে আসে।

আমরা কলম সৈনিক আমরা অপরাধ তুলে ধরতে পারি, ক্ষমতা বা সন্ত্রাসীদের ভয়ে অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষটি তথ্য দিতেই পারে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি যে সোনার বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছেন তার সুফল গুটি কয়েক নেতা নাম ধারি অমানুষের কারনে বিলিন হয়ে যাবে তা মেনে নিতে কষ্ট হয়।

Sharing is caring!