শামসুল হক মামুন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  ভৈরবে সিএনজি’তে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে ড্রাইভারাঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করেছে।

 

 

 

কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কে ভৈরব দূর্জয় মোড়ে প্রায় ১০বছর যাবত চাদাবাজি করে আসছে বলে জানিয়েছেন সি এন জি চালকরা।

 

 

সিএনজি লাইসেন্স থাকার পর টাকা দিতে বাধ্য করা হয় বলে জানা যায়। প্রতিদিন চাদার পরিমান প্রতি সি এন জি ৩০থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয় সাথে ১০টাকা পৌরট্যাক্স। প্রতিমাসে আলাদা গুনতে হয় ৪০০টাকা এটাকে থানার মান্থলি বলে।

 

 

এই টাকা ভৈরব হাইওয়ে থানা এবং বেঙ্গল থানা এবং উপর মহলের কিছু নেতাদের মিলেমিশে ভাগ বন্টন হয়ে থাকে বলে জানা যায়। এত কিছুর পর ও কোন অসন্তুষ্টি দেখা যায়নি চোখ বন্ধ করে টাকা দিয়ে যাচ্ছে।

 

 

 

বিনিময়ে আজ তাদের দাড়ানোর মত কোন সি এন জি স্ট্যান নেই। বহুবছর যাবত এই চাঁদাবাজি বন্ধের চেষ্টা সফল হয়নি বলে জানা যায়।০১/১০/২০১৯ইং কালিকা প্রসাদ বাসস্ট্যান সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সি এন জি চলাচল বন্ধ ছিল।

 

 

 

প্রায় ২শতাদিক সি এন জি মাঠে রাখা হয় এবং ৫শতাদিক সি এন জি চালক আন্দোলন করে।চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে আবার মাঠে নামবে বলে জানিয়েছেন সি এন জি চালকরা।

 

 

 

আন্দোলনে স্লোগান ছিল চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। চাদাবাজের চামড়া তুলে নেব আমরা। মোহাম্মদ আলী চামড়া তুলে নেব আমরা। মোহাম্মদ আলী নামে পরিচিত চাদাবাজ চাদা না দিলে সি এন জি চালকদের মারদর করে বলে অভিযোগ করেছেন চালকরা।

 

 

 

মোহাম্মদ আলীর একটি শ্যামল ছায়া বাস আন্দোলনের সময় আটকে রাখা হয়। চালকদের দাবি আমাদের চাদার টাকায় এই বাস কেনা। মোহাম্মদ আলী তেমন কোন বিক্তবান ছিল না বলে জানান চালক রা।

 

 

 

চাদাবাজির টাকায় কোটি প্রতি মোহাম্মদ আলী। চালকরা রাস্তায় আন্দোলনের সময় মোহাম্মদ আলীর শ্যামল ছায়া বাস আর কিছু সি এন জি আটকে রেখেছে চাদাবাজি বন্ধের দাবি মেনে না নিলে লাগাতার আন্দোলন চলতে পারে বলে জানায় সি এন জি চালকরা।

মোহাম্মদ আলীর সিএনজি ওবাস আন্দোলনের পর ছেড়ে দেওয়া হয় এবং চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে আবারো আন্দোলনে নামবে বলে জানিয়েছে চালকরা।

 

 

আন্দোলনে ছবি তুলতে বাধা দেয় পুলিশ। এক পর্যায়ে জোর করে ছিনিয়ে নেওয়া হয় মোবাইল। মোবাইলে তুলা সকল ছবি ডিলেট করে ফেলা হয়। নিউজ করা জন্য ছবি গুলা তুলা হয়েছিল।

 

 

 

ছবি ডিলেট করেছেন কেনো এই প্রশ্ন করা হলে হাইওয়ে থানা পুলিশ রনি নাম পুলিশের গাড়িতে উঠতে বলা হয়। চাঁদাবাজি একটা অংশ হাইওয়ে পুলিশ পায় বলে জানিয়েছেন সি এন জি চালকরা।