ঢাকা,বুধবার ২ অক্টোবর: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের কৃষি নিয়ে অহংকার করেন,গর্ব করেন। তিনি তার নিজ বাড়িতে অপ্রচলিত ফলের বাগান করেছেন। কৃষির উন্নয়নের জন্য সবসময় কাজ করে যাচ্ছে তিনি।

 

 

 

 

আজ কৃষি মন্ত্রী ড.মো:আ:রাজ্জাক রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে আয়োজিত Workshop on TCP Project on Fall Armyworm(FAW) and e Pest প্রকল্পের সূচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

 

 

 

মন্ত্রী বলেন; আমরা শুধু গার্মেন্টস এর ওপর নির্ভরশীল থাকবো না; কৃষিও দেমের অর্থনীতিতে অনেক বড় ভুমিকা রাখবে। এক সময়ের খাদ্য ঘাটতির দেশ আজ খাদ্য রপ্তানির যোগ্যতা অর্জন করেছে। এখন কৃষির আধুনিকায়নের কাজ চলছে। আমরা এমডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছি এখন এসডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে বাংলাদেশ।

 

 

 

 

মন্ত্রী বলেন; বাংলাদেশে দানাদার খাদ্য তালিকায় ভুট্টার তেমন অবদান ছিলনা। দেশের কৃষি বিজ্ঞানিদের উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছে,ফলে দেশের ভুট্টার উৎপাদন দিন দিন বেড়ে চলছে। ভুট্টা এখন যুক্ত হচ্ছে পোল্ট্রি শিল্পের সাথে। ভুট্টার ভবিষৎ খুবই ভালো। তবে কৃষি তথা ভুট্টার জন্য ক্ষতিকর হচ্ছে বিভিন্ন কিট পতঙ্গ,আর মধ্যে বেশি ক্ষতিকার হচ্ছে ফল আর্মিওয়ার্ম যেটি দমনের কোন কিটনাশক নেই। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ফসলের ক্ষতিকর কিট পতঙ্গ নজরদারির কৃষির জন্য মঙ্গল জনক। সোলার পদ্ধতিতে পরিবেশ বান্দব কিট পতঙ্গ দমন করার জন্য ই-পেষ্ট কার্যক্রম খুবই উপযোগী।

 

 

 

মন্ত্রী এসময় নির্বাচনী ইশতেহারের কথা উল্লেখ্য করে বলেন, ইশতেহারে যা যা রয়েছে সব বাস্তবায়ন করা হবে। বিশ্বাস রাখুন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা’র ওয়াদা এটা অবশ্যই পালন করা হবে। দেশে আর কারোই অভুক্ত থাকার সুযোগ নেই। পুষ্টি ও নিরাপদ খাদ্য অবশ্যই নিশ্চিত করবে সরকার।

 

 

 

আগাম বৃষ্টির কারণে পেয়াজের উৎপাদন কম হয়েছে তাই দাম অস্বাভিক। দ্রুতই বিদেশ থেকে পেয়াজ আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে জানালেন কৃষি মন্ত্রী।

 

 

২০২১ সালে ভুট্টার উৎপাদন হবে ৬১ লাখ মেট্রিক টন—কৃষি সচিব

 

 

কৃষি সচিব মো: নাসিরুজ্জামান বলেছেন; ফল আর্মিওয়ার্ম ছাড়াও অনেক ধরনের কিট পতঙ্গ রয়েছে,সেগুলোর নজরদারির জন্য এবং সোলার সিস্টেম এর মাধ্যমে কিটপতঙ্গ দমনের জন্য এই প্রকল্প সত্যি কৃষির জন্য ভালো। আমরা এসকল কিট পতঙ্গ দমন করে ২০২১ সালের মধ্যে ভুট্টার উৎপাদন ৬১ লাখ মেট্রিক টনে উন্নিত করবো। এ ক্ষেত্রে একটা বিষয় না বল্লেই নয় আমাদের কৃষির কিটনাশক ডিলাররা যে পোকার জন্য যে ঔষধ নয়,তারা সেই ঔষধ কৃষকদের দিচ্ছে ফলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

 

 

 

ক্ষতিকর পোকা চিহ্নিত করতে কৃষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। ফল আর্মিওয়ার্ম যেহেতু মাটিতে বাসা বাঁধে এটি দমনের একমাত্র উপায় হচ্ছে আগুন দিয়ে পুড়ে মারা। সরকারের প্রচেষ্টায় সাড়া দিয়ে FAO আর্মিওয়ার্ম দমনে সহযোগিতা করছে এটা খুবই ভালো। আমরা চাই একজন কৃষকও যেনো এর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।