নূরে আলম জীবনঃ  সম্রাট শুধু যুবলীগ নয়, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ সহ সকল সংগঠনের নেতাকর্মীদের নয়নের মণিতে রূপ নিয়েছে। এটা একদিনে সৃষ্টি হয়নি। সম্রাট শুধু ঢাকা দক্ষিণে নয়, সারা বাংলাদেশে আলোচিত একটি নাম।  সম্রাটকে নিয়ে হয়তো সমালোচনা আছে, তবে আলোকিত বার্তা হচ্ছে কিভাবে তৃণমূলকে নেতৃত্ব দিতে হয়, কিভাবে কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে হয়, কিভাবে চেইন অফ কমান্ড মানতে হয় তার নজির স্থাপন করেছে ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে, অপরাধীর অবশ্যই শাস্তি হবে। তবে দক্ষিণ যুবলীগ ছিল শক্তিশালী একটি ইউনিট। আমাদের দেশের রাজনৈতিক সংগঠনের আয়ের উৎস কি? গভীরভাবে ভাবলে অনেক হিসেব পাল্টে যাবে। সম্প্রতি ছাত্রদলের ভোটের মাধ্যমে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, পরদিনই মধুর ক্যান্টিনে অবস্থান নিয়েছে তারা, জানান দিয়েছে মরন কামড়ের প্রস্তুতির কথা।

 

 

যা বলছিলাম দলের মিছিল, মিটিং বা বড় কোনো শোডাউন এখানে কি অর্থের প্রয়োজন নেই? যে কর্মী নিয়মিত মিটিং মিছিলে আসছে তার কোনো সমস্যায় কি একজন নেতাকে কি পাশে দাঁড়াতে হয় না, হয়তো অনেক নেতাই দাঁড়ায় না। কিন্তু ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট তাদের বিকল্প। তিনি রাতারাতি কর্মীদের হৃদয়ের স্পন্দন হয়নি। তিলেতিলে তিনি যুববন্ধু থেকে যুব আইকনে পরিনত হয়েছে।

 

 

 

সংক্ষিপ্তভাবে হলেও জানা উচিত সম্রাটের ইতিহাস

নিচের তথ্যগুলো সংগ্রহকৃত….  

 

 

 

বিরোধী দলের সময় যুবলীগের সম্রাট মায়ের গহনা বিক্রি করে সংগঠন চালিয়েছে।

 

 

👉মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালে এক অভিজাত রাজনৈতিক আওয়ামী পরিবারে তার জন্ম। তার পিতা মরহুম ফয়েজ আহমেদ চৌধুরী ছিলেন তৎকালীন রাজারবাগ ইউনিয়ন(বর্তমান রমনা থানা)আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। সার্কিট হাউজ রোডে আওয়ামী লীগের অফিস ছিল। বঙ্গবন্ধু এখানে আসতেন, অফিস করতেন। সম্রাট ভাই এর বাবার সাথে বঙ্গবন্ধুর ছিল ঘনিষ্ঠ পরিচয়। তার দুনিয়ায় আগমনে বঙ্গবন্ধু তার পিতাকে বলে তোর ছেলের নাম রাখবি সম্রাট। বঙ্গবন্ধুর নাম দেওয়া সেই সম্রাট ই আজকের সম্রাট। শিশুকাল থেকেই তার রাজনৈতিক হাতেখরি।১৯৮৪ সালে বৃহত্তর রমনা থানা ছাত্রলীগ ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি ছিলেন তিনি। তখন পার্টির খুবই দুঃসময়। অভিবক্ত মহানগর ছাত্রলীগ এর সভাপতি শহীদুল্লাহ্, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান কচি। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি ছিলেন খুবই মেধাবী। তার বিচক্ষণ রাজনৈতিক দুরদর্শিতা দেখে সবাই মুগ্ধ। তিনি তখনকার সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার সফর সঙ্গী হিসেবে বহুবার বঙ্গবন্ধুর তীর্থভূমি টঙ্গীপাড়ায় গিয়েছেন। রমনা থানা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

 

 

👉স্বৈরাচার পতন আন্দোলনে তখন তিনি বৃহত্তর রমনা থানা যুবলীগের আহবায়ক। খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন ঢাকার রাজপথে। যেই মিছিলে নুর হোসেন গণতন্ত্রের জন্য জীবন দিলেন,সম্রাট ভাই সেই মিছিলের অগ্রভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

 

 

 

👉তার অসীম সাহসীকথা দেখে কেন্দ্রীয় যুবলীগ তাকে ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণ এর সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করেন। ২০০১ সালের পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি আওয়ামীলীগের পার্টি অফিস সহ ঢাকার রাজপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। যখন তৃনমুলের নেতাকর্মীরা খেতে পেত না, তখন তিনিই পার্টি অফিসে নেতাকর্মীদের খাবারের ব্যবস্থা করতেন। যানা যায় অনেক বার তিনি তার মায়ের গহনা বিক্রি করে এই সংগঠনের নেতাকর্মীদের খাবার কিনে দিয়েছেন।

 

 

 

👉গত আট বছর তিনি ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণ এর সভাপতি। ঢাকার রাজপথে প্রিয়নেত্রীর যত বড় বড় সমাবেশ হয়েছে, সকল সমাবেশ তিনি নান্দনিক ভাবে সফল করেছেন। হেফাজত যখন ঢাকার রাজপথ দখলে নিতে চেয়েছিল তখন তার নেতৃত্বেই ওদের মোকাবিলা করা হয়েছে।

 

 

👉প্রিয়নেত্রী বার বার বলছেন, আমার তৃনমুলের নেতাকর্মীরা অবহেলিত। ঢাকায় এমন কোন রাজনীতিবীদ বলতে পারবেন, তারা তৃনমুলের নেতাকর্মীর খবর নিয়েছেন? হ্যা একমাত্র ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট প্রতিদিন তৃনমুলের নেতাকর্মীদের খোজ খবর নিয়েছেন। তাদের সকল সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এসেছেন। তার নেতৃত্বে যুবলীগ আজ ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শক্তিশালী দূর্গে পরিনত হয়েছে। যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী একারনে দক্ষিণ যুবলীগকে শ্রেষ্ঠ ইউনিট এবং তাকে সেরা যুব সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

 

 

খুবই দুঃখজনক, তার পিতা এবং তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন না যেতে আপনারা যারা লিখছেন তারা এই ইতিহাস জানুন।

 

 

ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট এর জন্ম ঢাকার রাজপথে একদিনে সৃষ্টি হয়নি। প্রায় তিন যুগধরে তার রাজনৈতিক ইতিহাস। ষড়যন্ত্র কারীরা এক সময় পরাজিত হবে, সম্রাট বীরের ভেসে প্রিয়নেত্রীর পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে রাজপথে আছেন, থাকবেন ইনশাআল্লাহ্।