দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে সামনে প্রতিরোধ করা ছাড়া বিকল্প কিছুই থাকে না। এ রকমই অবস্থা টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায়ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের।

 

 

ঢাকা মহানগর কমিটির মেয়াদ শেষ হতে চললেও বেশ কয়েকটি থানা এবং ওয়ার্ডে পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে পারেনি নগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ। তবে সম্প্রতি দলের হাইকমান্ড থেকে নির্দেশনা এসেছে আগামি ২০-২১ ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের আগেই আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের মেয়াদ শেষ হওয়া সব কমিটি ভেঙে দিতে হবে।

 

 

এদিকে মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আওতাধীন প্রায় ১২টি থানা কমিটি পূর্ণাঙ্গ দেওয়া হয়নি। জানা যায়, থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কমিটির জন্য তালিকা প্রায় বছর এক আগে পাঠালেও মহানগর তা অনুমোদন দেয়। বেশ কিছু থানা কমিটি দিলেও এ গুলো কেন দেয়া হচ্ছে না জানতে চাইলে এক থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, কমিটি পূর্ণাঙ্গ হচ্ছে না কোন্দলের কারনে, স্থানীয় সংসদ সদস্যও কমিটি না দেওয়ার পক্ষে।

 

 

এদিকে সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন সবুজবাগ থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আক্তারুজ্জামান মিথুন, যিনি স্থানীয় সাংসদ সাবের হোসেনের খুব কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত সবুজবাগের রাজনীতিতে। উল্লেখ্য, বিরোধী দলের সময় আক্তারুজ্জামান মিথুন রাজপথের অন্যতম ত্যাগী নেতাদের একজন। প্রতিটি প্রোগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করলেও বিএনপি জামায়াতের পুলিশের তান্ডবে রাতে বাসায় বা পরিবারের সাথে ঘুমাতে পারেননি। বৃহত্তর সবুজবাগ থানা ছাত্রলীগকে যোগ্যতার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন তিনি।

 

 

তিনি এমপির আর্শিবাদে স্থানীয় কদমতলা স্কুল এন্ড কলেজের কমিটিতেও স্থান পায়। জানা যায়, বর্তমান সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের দুই সদস্যের কমিটি ঘোষণার সময় সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরী তার জন্য সুপারিশ করলেও তিনি স্থান পায়নি। মহানগর তার চেয়ে সিনিয়রকে স্থান দেয়।

 

 

সেই আক্তারুজ্জামান মিথুন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সবুজবাগ-খিলগাঁও-মুগদা থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়েছিল। আজ পর্যন্ত সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক ছাড়া পূর্ণাঙ্গ কমিটি নাই। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, একটি সংগঠন স্থবির করার জন্য যথেষ্ট নয় কি?