আনলিমিটেড নিউজঃ বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু মানে স্বাধীন এক পতাকা, বঙ্গবন্ধু মানে একটি মানচিত্র। বঙ্গবন্ধু মানে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের মহাকাব্যিক। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বির্নিমানে ঘাতকের নির্মম বুলেটের আঘাতে থমকে যায় বাংলাদেশের উন্নয়নের চাকা, শুরু স্বাধীন পরন্ত বিকেলে পরাধীনতার চক্রান্ত।

হে জাতির পিতার যোগ্য কন্যা, মমতাময়ী মা, মানবতার নেত্রী, পুরো পরিবারকে হারিয়ে আপনি বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে, উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় ফিরে এসেছিলেন নানা ষড়যন্ত্রের দেয়াল বেদ করে আমাদের মাঝে। আজ বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে বহুদূর। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হলেও মনে হতো আমরা পরাধী, কিন্তু যেদিন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসি কার্যকর করেছে সেদিনই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার পূর্ণতা পেয়েছি।

 

 

তবে প্রিয় নেত্রী, সফল রাষ্ট্রনায়ক ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আমার ব্যক্তিগত কিছু কথা। কারণ আপনি বিশ্ব সফল রাষ্ট্র নায়কদের একজন।

 

 

জামায়াত-বিএনপির ভয়াবহ জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলনে ঢাকার বাহিরে লাশের গন্ধে ভারি হয় পরা লাশের গন্ধ। তবে ঢাকার পথে সেই আন্দোলনে ব্যর্থ হয় তৎকালীন চার দলীয় জোট। জামায়াতের গভীর ষড়যন্ত্র ছিল ঢাকার বুকে লাশের গন্ধ ছড়ানোর। কিন্তু পারেনি। কেন নেত্রী, অবশ্যই আপনার সঠিক পরিকল্পনা এবং নেতাকর্মীদের আওয়ামী লীগ ও আপনার প্রতি ভালবাসা। ঢাকার ব্যর্থতাতে চুরাবালুতে চলে যায় ৪ দলীয় জোট। আস্থা, বিশ্বাস হারিয়ে যায় দলের প্রতি দলের। নেতার প্রতি নেতার। যার প্রতিফলন টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগের কাছে রাজনৈতিক কৌশলে পরাজিত।

 

 

ঢাকার বুকে বিএনপির ব্যর্থতার মুলে যার নামটি প্রথমেই আসে তিনি আর কেউ না, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, শাহে আলম মুরাদ, এইচ এম রেজাউল করিম রেজা, দেবাশীষ দাদা সহ মধ্যম শারির এ নেতাগুলোই ছিলো ঢাকার নিয়ন্ত্রণে।

 

 

যুবলীগের ভূমিকা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আপোষহীন, সম্রাটের কৌশলে বা সাহসিকতায় বিএনপির ভাগা নেতা মির্জা আব্বাস’কে চ্যালেন্জ দিয়ে রাজপথের নিয়ন্ত্রন নেয় যুবলীগ দক্ষিণ, আজ দলের সু-সময় হয়তো ভুলে গেছে অনেকে তা। কিন্তু সম্রাট বারবার আসে না। আজ যুবলীগ, ছাত্রলীগ বা অন্য যে কোন সংগঠনই ভুল করুক না কেন, শাস্তি আপনিই দিতে পারেন। এ দল আপনার কাছে কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশ আপনার তাছে ঋণী। ঢাকা দক্ষিণ ইউনিটকে শ্রেষ্ট ইউনিট ও ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে শ্রেষ্ট সংগঠক খেতাব দেয়া হয়।

 

 

সুপার ইউনিট হিসেবে কর্মীদের মাঝে দক্ষিণ যুবলীগ সারা বাংলায় সম্মানিত ইউনিটে রূপ নিয়েছে।

 

অন্যদিকে প্রিয় নেত্রী ছাত্রলীগের বড় কালিমা সিন্ডিকেট ভেঙে প্রথম বারের মত কমিটি দিয়েছিলেন আপনি। সে কিমিটিকেও নানা ভাবে বির্তকিত করা হয়েছে, আপনি বাধ্য হয়েছেন দুই নেতাকর সরিয়ে দিতে, তখন কিছুটা কষ্ট পেয়েছিলাম। তবে হৃদয়ে ঝড় বয়ে গেল যখন শ্রেষ্ট ইউনিটের গর্ব, সারাবাংলার যুবসমাজের অহংকার ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে নিয়ে ষড়যন্ত্র হয়, তার রাজনৈতিক জীবন ও তাকে কলঙ্কিত করতে নানাবিধ ষড়যন্ত্র বিস্তার হয়। হাজার হাজার নেতাকর্মী দিশেহারা হয়ে পরে। কেন প্রিয় নেত্রী, তৃণমূল যে দলের শক্তি, সেই শক্তিকে হতাশায় রেখে সোনার বাংলাদেশ গড়া সম্ভব না।

 

 

সম্রাটকে আটক করলে তৃণমূলে এর প্রভাব গ্রহণযোগ্য হয়তো হবে না। তবে প্রিয় নেত্রী আস্থা, বিশ্বাস, ভালবাসা থেকে বলতে পারি আপনার দেয়া শাস্তি মাথা পেতে নেবে সম্রাট। অন্যথায় কেউ রাজনীতিতে আসতে চাইবেন না। ভুল করলে দলীয় প্রধান বা অভিভাবক হিসেবে শাষন বা শাস্তি আপনিই দিতে পারেন।

 

 

দল ও সংগঠন আপনার প্রাণে চেয়ে আছে লাখো কোটি দৃষ্টি ছুয়ে।

 

 

আশা করি আমার কথা গুলো বিবেচনা করে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

 

 

টোকাইমন্ত্রী খ্যাত মোঃ মিজানুর রহমান মিজান

(টোকাইদের নিয়ে কাজ করেন বলেই নিজেকে টোকাইমন্ত্রী ভাবেন) 

র‌্যাক এডুকেশন ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান

সদস্য, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগ