আনলিমিটেড নিউজঃ শেয়ার বাজার ও বন্ড মার্কেট উন্নয়নে সহায়তা করবে বিশ্বব্যাংক। এ ছাড়াও অর্থনীতিতে যেসব জায়গায় আমরা পিছিয়ে আছি, সেসব জায়গার উন্নয়নেও এগিয়ে আসবে সংস্থাটি। আমরা অর্থনৈতিকভাবে যেখানে আছি, সেখান থেকে আরও উন্নতি করতে অনেক শক্তি ব্যয় করতে হবে। এ জন্য আমাদের ক্যাপাসিটি আরও বৃদ্ধি করতে হবে। বিশ্বব্যাংক এক্ষেত্রে আরও বেশি বেশি করে সাহায্য করতে প্রস্তুত রয়েছে। এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীও একমত প্রকাশ করেছেন। বর্তমনে আমাদের অর্থনীতিতে আর্থিক খাতের উপাদান কম। উপাদান কম থাকলে অর্থনীতি ছোট হয়ে যায়। অর্থনীতিকে বেগমান করতে হলে আমাদের অনেক টুলস (উপাদান) দরকার, আর এ কাজগুলোই করা হচ্ছে।

 

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর শেরে বাংলানগরে মন্ত্রীর দপ্তরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাৎ করেন বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক পরিচালক জুবিদা খেরুজ এলাউয়া (Zoubida Kherous Allaoua)। সভা শেষে মাননীয় অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

মাননীয় অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের বন্ড মার্কেটটা প্রকৃতপক্ষেই উন্নয়ন করা হয়নি। এ মার্কেটটার উন্নয়ন করতে হবে। এ মার্কেটে সরকারি-বেসরকারি উভয় সেক্টরই আসবে। বন্ড মার্কেটের উন্নয়ন হলে শেয়ার বাজারেরও উন্নয়ন হবে। বন্ড মার্কেটের উন্নয়নে বিভিন্ন ফি কমানো হয়েছে। বন্ড মার্কেটকে গতিশীল করার জন্য যা যা করা দরকার তাই করা হবে। বন্ড মর্কেটকে আমরা উন্নয়ন করবোই। কেননা বন্ড মার্কেটের উন্নয়নে শেয়ারবাজারের উন্নয়ন হবে। বন্ড মার্কেট এমনভাবে উন্নয়ন করা হবে যাতেকরে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরাও চলে আসবে। সরকার সবসময় পুঁজিবাজারের সঙ্গে রয়েছে। পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগীতা করা হচ্ছে। সরকারের কাজ হচ্ছে পুঁজিবাজারকে সাপোর্ট দেয়া, সেটা আমরা দিয়েছি। আগামীতে ভালো ভালো সরকারি কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনা হবে।

বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক পরিচালক জুবিদা খেরুজ এলাউয়া বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি যেভাবে এগুচ্ছে তা প্রশংসাযোগ্য। বাংলাদেশের ডেট টু জিডিপিও ভাল। এটা একটি সরকারের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে নির্দেশ করে। ভাল ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত দরকার। বিশ্বব্যাংক কিছু টেকনিক্যাল এসিস্টান্স, রেগুরেটারি রিফর্ম এবং পলিসির উন্নয়নে সহায়তা করবে। বন্ড মাকের্ট ও শেয়ার বাজারের উন্নয়নে পুরো কাজটাই সমন্বিতভাবে করা হবে।