একজন ‘প্রিয়া সাহা’ বর্তমানে বেশ নাম ডাক বা ক্ষমতাবান কেউ। কিন্তু দেশের জনগণ তার ক্ষমতা সম্পর্কে জানতে পারছিলেন না। নিজের স্বার্থের জন্য খুলেছিলেন ‘শারি’ নামের একটি এনজিও কামাচ্ছিলেন ২ হাত ভরে কিন্তু তার নাম ডাক জনগণ জানতে পারছিলেন না। তাই তিনি, সুযোগ খুঁজছিলেন এবং পেয়েও গেলেন বেশ বড় একটা সুযোগ। কে এই প্রিয়া সাহা, তা আর মনে হয় এখন জাতিকে চিনিয়ে দিতে হবে না। ইতিমধ্যে তিনি ভাইরাল হয়ে গেছেন চিনিয়ে দিয়েছেন তার নাম দেশব্যাপী এমনকি বিশ্বব্যাপী। ক্ষমতাধর এই নারী নিজেকে ক্ষমতাবান প্রকাশ করতে সব সময় সরকারি মন্ত্রী আমলাদের সাথে চলতেন ঘুরতেন এবং তার ছবি তুলে সবাইকে দেখাতেন।

 

কি করে তিনি এত ভাইরাল হলেন সেটা হয়তো আমার সবাই জেনে গেছি। তবে প্রশ্ন হচ্ছে তিনি কার প্রশ্রয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর কাছে পৌঁছে গেলেন নালিশ নিয়ে, তার বিশ্লেষণ হয়তো অনেক বড়, তবে তার অভিযোগ বা অনুযোগের অনেক সমর্থন যেমন রয়েছে তার সম্প্রদয়ের মধ্যে, তেমনি আবার সেই সম্প্রদায় থেকে তিনি পেয়েছেন ‘দুয়ো’ ধ্বনি। কেন তিনি এতো বড় নালিশ করতে গেলেন সবার এক কথা। তবে আজ তার একটি ছবি প্রকাশ হয়েছে টাইমস অব ইসরাইল পত্রিকাতে তার অজান্তে। ইসরাইলের পত্রিকা মূলত তাকে উদ্দেশ্য করে ছবি প্রকাশ করেনি, ছবিটি এসেছে তাঁদের মন্ত্রী এবং বাহরাইনের এক মন্ত্রীর নৈশ ভোজের।

 

বুধবার (২৪ জুলাই) ওই ভোজ সভা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে টাইমস অব ইসরাইল। ওই প্রতিবেদনের সঙ্গে ছাপা হওয়া ছবিতে আমন্ত্রিত অতিথিদের সারিতে তাকে খুঁজে পাওয়া গেছে। পত্রিকায় ছাপা ছবিতে শাড়ি পরিহিতা নারীটিকে প্রিয়া সাহা বলে চিহ্নিত করেছেন অনেকেই। সুতারাং এবার তাহলে সবার বুঝতে বাকি নেই যে তিনি কেন,কি উদ্দেশ্যে দেশের নামে মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়েছেন। এবার আসি মূল কথাতে, বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য বাঁধা রয়েছে ইহুদিবাদী ওই দেশ বা জনগণের সাথে যোগাযোগ। কিন্তু এখন অনেকটাই স্পষ্ট যে প্রিয়া সাহা হয়তো ইসরাইলের গোয়েন্দা ‘মোসাদ’ এর’ চড় হয়ে দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।

 

এখন দেখার বিষয় বাংলাদেশ সরকার বিষয়টি কিভাবে নিচ্ছে। না ক্ষমতাবান নারী হয়ে পার পেয়ে যাচ্ছেন। তবে এসব দেশ বা সরকারের জন্য অশনি সংকেত। ৭৫ এর মতো বন্ধু হয়ে যেমন জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করেছিল। ঠিক এখনো সরকারের সকল সুযোগ সুবিধা নিয়ে এমন কু-চক্রী প্ল্যানের বাস্তবায়নের চেষ্টা করে যাচ্ছেন প্রিয়া সাহার মতো কিছু অসৎ লোকজন।

 

সরকারকে বা তার গোয়েন্দাদের এসব বিষয়ে বেশ নজর দিতে হবে। কারা কখন কিভবে ‘মোসাদ’এর এজেন্ট হয়ে কাজ করছেন দেশের বিরুদ্ধে। সবার আগে দেশ তার উপড়ে কেউ নেই। এটা সকলকেই মাথায় রাখতে হবে। দক্ষিণ এশিয়া তথা এশিয়ার মধ্যে অর্থনৈতিক ভাবে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে বেশ অগ্রগতির দিকে তাই এখন ইহুদিবাদী ওই দেশর নজর পরেছে এ দেশের শান্তি কামী মানুষের সম্প্রীতির নষ্টের দিকে। তবে এই শান্তিকামী মানুষদের উন্নয়ন অগ্রগতি থামানোর কেউ নেই, যদি না সরকার শক্ত হাতে প্রিয়া সাহাদের দমন করে দেয়।