দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে, বিশ্বর বুকে উন্নয়নের মডেল বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বির্নিমানে গণতন্ত্রের মানসকন্যা, সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে তখন যদি প্রজাতন্ত্রের কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আসে বাস্তব অর্থেই হৃদয়ে রক্ত ক্ষরন হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর। যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতি বন্ধে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভেতন তিনগুণ করেছে। যিনি পুরো পরিবারকে হারিয়ে দেশের মানুষের জন্য মৃত্যুর হুরিয়া নিয়ে দেশ উন্নয়নে আপোশহীন ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

রাজধানীর পুরান ঢাকার ইতিহাসের স্বাক্ষী কাপ্তান বাজার (ঠাটারি বাজার) জামে মসজিদ। যে মসজিদ স্বাক্ষদেয় এটা আল্লাহর ঘর। সেই মসজিদ নিয়েই পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ, হয়েছে মামলা, শুনা যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের নেতা, স্থানীয় কাউন্সিলর, স্থানীয় সাংসদ বা প্রশাসন কেউই কোনো সমাধান দিতে পারেনি, মসজিদের বিষয় নিয়ে কেন কোর্ট পর্যন্ত? আবার সেই কোর্টেরই নিষেধাজ্ঞা অমান্য কেন? এ প্রশ্নগুলোর উত্তর যেন শোষ্যের ভেতর ভূত! পরিষ্কার ভাষায় বলতে গেলে, এ সমস্যা সমাধানে যার অগ্রণী ভূমিকায় থাকার কথা সেই ওয়াকফ্ প্রশাসক যেন ঘুমিয়ে।

 

জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় চল্লিশ বছরের মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাজি তাজ মোহাম্মদের বিরুদ্ধে কয়েকটি অভিযোগ আনেন কেউ কেউ ওয়াকফ্ প্রশাসক বরাবর। যেহেতু ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওয়াকফ এস্টেটের অধিভুক্ত এ মসজিদটি। তাই মসজিদ বিষয়ে অভিযোগ গুলোর তদন্ত বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়বদ্ধতা ওয়াকফ্ প্রশাসকের।

 

একটি পক্ষ সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলের সিনিয়র এক নেতার নাম ব্যবহার করে সভাপতির দায়িত্ব নিতে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। মহিউদ্দিন বুলু নামে এক ব্যক্তি যিনি রংয়ের ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত, তিনিই যেন দাতা হাতেমতায়ি হয়ে শুধু মানুষকে দিবে, কিন্তু কেন?

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায় মসজিদের ১৪ কাঠা জায়গার বেশিরভাগ জায়গাই বাজার বসা। যেখান থেকে মোটা অঙ্কের টাকা সরকারী কোশাগারে জমা হয়। অসাধু চক্রটির কুদৃষ্টি পরেছে সেই দিকে। তাইতো চক্রটি একের পর এক বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে। নিয়ম মেনেই যারা অনেক আগেই ওয়াকফ্ থেকে। যার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ কাগজ বলছে হাজি তাজ মোহাম্মদ সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছেন ১৯৮৭ সালে। চল্লিশ বছরের অডিটে তার সই রয়েছে মাত্র দশ বছরে। তবে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠার কথা ছিল, তিনিই ধরা ছোয়ার বাহিরে। মতোওয়াল্লি হিসেবে যিনি বিগত সময় দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি সব হিসেব রেখেছেন, খরচও করেছেন তিনি। মতোওয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যার পেশা মাছের ব্যবসা। প্রশ্ন উঠেছে সেই মতোওয়াল্লি বাহাউদ্দিন সাহেব কাপ্তান বাজারে সু-বিশাল মাছের আড়ৎ করলো কিভাবে? কিভাবে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে একটি ভবন ও একটি মার্কেটের মালিক হলো কিভাবে?

 

মসজিদ নিয়ে আরো পানি ঘোলা করেছে মতোওয়াল্লি। যিনি কখনো মসজিদ কমিটির কোন সদস্যই হয়নি তাকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব দেখিয়ে অর্থ আত্মসাধের অভিযোগ এনে। ওয়াকফ্ প্রশাসক যেন চোখ বন্ধ করে কাজ করছে্ জীবিত মানুষকে কাগজে মৃত দেখাতেও ভুল করছে না। এ বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছে সাধারণ মানুষ।

 

নূরে আলম জীবন
সাধারণ সম্পাদক
ইন্ডিপেন্ডেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (আইজেএফবি)