ঢাকা, ১৭ ভাদ্র (১ সেপ্টেম্বর): মানুষের মাঝে যখন ধর্মীয় ও সামাজিক চেতনাবোধের অবক্ষয় ঘটে তখনই মানুষ পরকীয়ার দিকে এগিয়ে যায়। পরকীয়া শব্দটি প্রায় সবার কাছে পরিচিত । তবে এটুকু উল্ল্যেখ করা প্রয়োজন যে – “পরকীয়া একটি সামাজিক ব্যাধি । ঘুনপোঁকা যেমন কাঠের স্থায়ীত্ব ভংগুর করে দেয় ঠিক তেমনি পরকীয়া বিবাহিত সামাজিক সম্পর্ক দুর্বল করে দেয় ।”কুকর্ম একপ্রকার চোরাবালির মত । চাইলেই সে চোরাবালি ডিঙিয়ে আসা যায়না ।

 

কোন নারীকে তার ইচ্ছা থাকলে যদি না বলতে অন্য পুরুষ একটি চুমাও দিয়ে থাকে – তাতেই তাদের লজ্জাবোধ শেষ। নারী না চাইলেও পাঁচ/সাত বছর পরে দেখা হলেও সে পুরুষ নারীটির স্তন্যে হাত দিতেও বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না । আর খালি ঘরে একা পেলে তো মোমে আগুন জ্বলবেই । আর সেজন্য সাবধানতা শুরুতেই দরকার । শুধুমাত্র নারীই পারে নিজেকে বাঁচাতে । নারীর অমত থাকলে জঙ্গলে একা পেয়ে শত চেষ্টায়ও সুঠাম পুরুষও তার সতীত্ব নষ্ট করতে পারেবে না ।

 

আমাদের দেশে মহিলাদের মধ্যে পরকিয়া পশ্চিমা বিশ্বের মত খুব একটা তিব্র নয় যতোটা পুরষদের মধ্যে আছে । পুরুষদের পরকীয়া প্রেমের ক্ষেত্রে তৃতীয় নারীটি তার চেয়ে কম বয়সী কোন মহিলা এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে যুবতীও হয়ে থাকেন । মহিলাদের ক্ষেত্রে তৃতীয় ব্যাক্তিটি সাধারণত কোন মধ্যবয়সী পুরুষ হয়ে থাকে । ৩০-৪৮ বছর বয়সীদের মধ্যে পরকীয়া প্রেম বহুলভাবে পরিলক্ষিত হয় ।অধিকাংশ পুরুষ নিজের চাকুরী, ক্যারিয়ার বা ব্যবসা নিয়ে এতো ব্যস্ত হয়ে পরে যে স্ত্রীকে একটু সময় দেয়ার মতো সময় তার হাতে নেই । সারাদিন বাসার বাইরে থাকার পর রাতে একটু বাসায় ফেরার পর দেখা যায় স্ত্রী- সন্তানকে সময় দেয়া কি স্ত্রী সন্তান একটু কাছে ঘেঁষে একটু সময় একটু ভালোবাসা সুলভ আচরণ প্রত্যাশা করলে সেটাকে বাড়াবাড়ি ভেবে বসেন । স্ত্রীর আঁচলের নিচে সময় কাটানোর সময় তার হাতে নেই । এমনটাও অনেকে সদর্পে বলে থাকেন । অকারনে স্ত্রীর সতীত্ব নিয়ে সন্দেহ করবেন না । স্ত্রীকে সত্যিকার অর্থে ভালবাসুন এবং সেটা স্ত্রীকে বুঝার সুযোগ করে দিন । কোন ছেলে হোক সেটা আপনার বন্ধু বা প্রতিবেশী আপানর স্ত্রী প্রতি দুর্বল বা আপনার স্ত্রী তার প্রতি দুর্বল তাহলে এটা চেপে না রেখে স্ত্রীর সাথে খোলামেলা কথা বলুন । স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে বাঁচাতেই শুধু না সুন্দর, সুষ্ঠু দাম্পত্য জীবন এবং শান্তিপূর্ণ সংসার পেতে স্ত্রীর চাহিদার মূল্যায়ন করুন ।

Sharing is caring!