আনলিমিটেড নিউজ:: আওয়ামী পরিবারের ও যুবলীগের পরিচ্ছন্ন রাজনীতির অনন্য নেতা, আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বারবার বিএনপি-জামায়াতের অত্যাচার নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার, পরিবারের উপর হুমকিসহ নানা ধরনের নির্মমতার মধ্য দিয়ে আজকের মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) দায়িত্ব পালন করছেন এইচ এম রেজাউল করিম রেজা।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও শেখ হাসিনার বিশ্বস্থ হয়ে পরিচ্ছন্ন রাজনীতির পরিকল্পনায় ওয়ার্ড ছাত্রলীগের মাধ্যমে নেতৃত্বে আসেন রেজা। তারপর শুরু হয় মূল ধারার রাজনীতি। বর্তমান শ্রেষ্ট ইউনিট হিসেবে মর্যাদা পেয়েছে ক্ষমতাসীন দলের অন্যতম সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ইউনিট। যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন সভাপতি হিসেবে ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) রেজাউল করিম রেজা।

সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের ঐকবদ্ধ প্রচেষ্টায় রাজনীতিতে নতুন ধারার সৃষ্টি করেছে যুবলীগ। ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট এর নেতৃত্বকে প্রশংসা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ঐকবদ্ধ ও সু-সৃংখল রাজনীতির উদাহরন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ।

ছাত্রজীবনে ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে প্রথম গ্রেফতার রেজাউল করিম রেজা। এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলোকভাবে ৭টি মামলা দিয়েছিলেন বিএনপি-জামাত। প্রতিটি মামলাই ছিল রাজনৈতিকভাবে হয়রানিমূলোক।

আনলিমিটেড নিউজকেএইচ এম রেজাউল করিম রেজা বলেন, শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে বিস্ময়। মানুষ আজ খাদ্যের নিশ্চয়তা পেয়েছে, স্বাভাবিক জীবনের নিশ্চয়তা পেয়েছে। আগামীতে এ বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বিপ্লব সৃষ্টি করবে বিশ্বে। উন্নয়নের বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয় বাস্তব। যা প্রমান করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা।

যুবলীগের আজকের অর্জন সম্পর্কে এ নেতা বলেন, আমাদের যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর মেধা ও দৃঢ় নেতৃত্বে সারা বাংলাদেশে যুবলীগ আজ শক্তিশালী একটি সংগঠনের রূপ নিয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের বাংলাদেশ বিনির্মানে যুবলীগের প্রতিটি কর্মীকে দক্ষ ও মেধাবী করার লক্ষ্যে “যুব জাগনের” উদ্যোগ নিয়েছেন। আমাদের চেয়ারম্যান আজ প্রমান করেছেন কিভাবে একটি সংগঠনকে মানুষের কল্যানে আনা যায়, তা করে ।

কোন সংগঠন শুধু মিটিং-মিছিল আর সমাবেশের মধ্য থাকলেই হবে না তাদের মেধাবী হতে হবে। জাতির কল্যানে প্রচুর বই পড়তে হবে। বরেণ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিদের জীবনী ভাল ভাবে সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। তা আজ যুবলীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে বুঝাতে পেরেছেন তিনি। এশিয়া মহাদেশের শ্রেষ্ঠ ইউনিট আজ যুবলীগ, একদিন এ যুবলীগই পৃথিবীর ভেতর শ্রেষ্ঠ ইউনিট হবে।

তার জীবনে রাজনীতি করার কারনে যে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে এ বিষয়ে আলোকপাত করতে গিয়ে অশ্রু ধরে রাখতে পারেননি রেজা। তিনি বলেন, ২০০৪ সালের ২১ শে আগষ্ট প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার জন্য যে হামলা চালিয়েছিল, তখন আমি (রেজা) আহত হই। কারণ আমার নেতৃত্বে বিশাল এক মিছিল সে দিন সেই সমাবেশে অংশ নিয়ে সমাবেশের সামনে দিকে অবস্থান নেই। সেদিন আমি মারা যেতাম।

রাজপথে আন্দোলনে আমি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে বেশ কয়েকবার গ্রেফতার হয়েছি। তবু বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে নিয়ে স্বপ্ন দেখি সুন্দর বাংলাদেশের। রাস্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার নেত্রিত্বে আজ সেই পথে বাংলাদেশ।

২০০৭ সালে তৎকালীন তত্বাবধায়ক সরকার যখন আমাদের নেত্রী রাস্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে, তখন প্রথম আন্দোলন করি আমি। এবং একমাত্র পুরুষ হিসেবে আমিই গ্রেফতার হই। গ্রেফতারের পর নির্মম নির্যাতনের শিকার হই।

সুবিধাবাদী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিষয়ে তিনি বলেন, সুবিধাবাদীরা শুধু সুবিধা নিবেনই। তারা দলের কর্মী বা বিপদের সময় পাশে থাকবেন না। ত্যাগীকর্মীরা অভিমানি হয় তবে বেঈমান হয় না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ কথাটি উদাহরন দিয়ে তিনি বলেন, আমরা নেতারা দলে কাদেরকে স্থান দিচ্ছি তা অবশ্যই জেনে বুঝে দিতে হবে।

রেজাউল করিম রেজা ঢাকা-৬ আসনের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে এ এলাকার মানুষের সেবা করার লক্ষ্যে নিজেকে প্রকাশ করছেন। বর্তমান সংসদ সদস্যর অবহেলার শিকার এ এলাকার মানুষের জন্য শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোয়া পুরোপুরি দিতে চান তিনি। পরিকল্পনা রয়েছে এলাকার যুবসমাজকে যুবশক্তিতে পরিনত করার। ঢাকা ৬ নির্বাচনী এলাকাকে  সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত শৃংখল ঊন্নত এলাকা হিসাবে গড়ে তোলা এবং রাস্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবায়ন করাই লক্ষ, তাই আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে নৌকার টিকেট পেতে এখনই মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।